চুয়েটনিউজ২৪.ডেস্ক:
চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (চুয়েট) চালু হচ্ছে মানোন্নয়ন (ইমপ্রুভমেন্ট) পরীক্ষা। গত ১৬ জুলাই অনুষ্ঠিত চুয়েটের ১৫৭ তম একাডেমিক কাউন্সিল সভায় মানোন্নয়ন পরীক্ষা পদ্ধতিকে একাডেমিক নীতিমালায় সংযুক্তির নির্দেশ দেওয়া হয়। এর মাধ্যমে দীর্ঘদিনের দাবি পূর্ণ হবে বলে আশাবাদী চুয়েটের শিক্ষার্থীরা।
জানা যায়, গৃহীত সিদ্ধান্ত মোতাবেক শিক্ষার্থীরা স্নাতক পর্যায়ের সর্বোচ্চ ৫ টি কোর্সে মানোন্নয়ন পরীক্ষা দিতে পারবে। তবে কোনো কোর্সে মানোন্নয়ন পরীক্ষা দেওয়ার জন্যে অবশ্যই সেই কোর্সে গ্রেড বি (জিপিএ ৩.০০) এর নীচে পেতে হবে। গ্রেড বি বা তার চেয়ে ভালো ফলাফল করলে সে কোর্স মানোন্নয়ন পরীক্ষার আওতাধীন থাকবে না।
গৃহীত সিদ্ধান্তে আরো বলা হয়, একটি কোর্সে শুধুমাত্র একবারই মানোন্নয়ন পরীক্ষা দেওয়া যাবে। মানোন্নয়ন পরীক্ষায় অংশ নিলে তার পূর্বের অর্জিত গ্রেড বাতিল বলে গণ্য হবে। একজন শিক্ষার্থী মানোন্নয়ন পরীক্ষার মাধ্যমে সর্বোচ্চ বি গ্রেড (জিপিএ ৩.০০) অর্জন করতে পারবেন।
মানোন্নয়ন পরীক্ষা চালুতে সন্তুষ্টি প্রকাশ করে চুয়েটের কম্পিউটার বিজ্ঞান ও কৌশল বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী আতফান বিন নুর বলেন, মানোন্নয়ন পরীক্ষা চালুর ব্যাপারে এই সিদ্ধান্তকে আমরা সাধুবাদ জানাই। একজনের একটি পরীক্ষা বিভিন্ন কারণে খারাপ হতেই পারে। সে যদি আবার পরিশ্রম করে সেখানে ভালো ফলাফল করতে চায়, তার জন্য সেই সুযোগ থাকা উচিত। এই দাবিটি আমাদের দীর্ঘদিনের প্রাণের দাবি। চুয়েট প্রশাসনকে এমন পদক্ষেপের জন্য ধন্যবাদ জানাই ও দ্রুত বাস্তবায়ন করার আহবান জানাই।
মানোন্নয়ন পরীক্ষা পদ্ধতি কবে থেকে কার্যকর করা হতে পারে তা জানতে চাইলে চুয়েটের রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক ড. শেখ মোহাম্মদ হুমায়ুন কবীর জানান, আমরা একাডেমিক অর্ডিন্যান্সে এটি যুক্ত করার কাজ শুরু করেছি। যুক্ত হওয়া মাত্রই মানোন্নয়ন পরীক্ষা পদ্ধতি চালু হয়ে যাবে।