চুয়েটের শিক্ষার্থীদের জন্য সুখবর: আসছে ৪টি নতুন বাস

মো:ফাহিম রেজা :

চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) দীর্ঘদিনের পরিবহন সংকট নিরসনে চারটি বাস প্রদান করার উদ্যোগ নিয়েছে আলহাজ্ব জসিম উদ্দীন ফাউন্ডেশন। এ উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয় ও ফাউন্ডেশনের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে।

আজ ২১ মে (বৃহস্পতিবার) ২০২৬ খ্রি. চুয়েটের সিন্ডিকেট কক্ষে এ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চুয়েটের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মাহমুদ আব্দুল মতিন ভূইয়া।

চুয়েটের পক্ষে সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক ড. শেখ মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির এবং আলহাজ্ব জসিম উদ্দীন ফাউন্ডেশনের পক্ষে স্বাক্ষর করেন ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান আলহাজ্ব জসিম উদ্দীন।

এই বিষয়ে চুয়েটের রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক ড. শেখ মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির বলেন, চুক্তি অনুযায়ী নন এসি ৬১ সিটের মোট ৪ টি বাস আগামি ৪০ কর্মদিবসের মধ্যে হস্তান্তর করা হবে । শুধু শিক্ষার্থীদের জন্যই বরাদ্দ এই বাসগুলোর ক্রয় এবং রেজিষ্ট্রেশনের সম্পূর্ণ টাকা বহন করবে দাতা সংস্থাটি। 

অনুষ্ঠানে চুয়েটের বিভিন্ন অনুষদের ডিন ও কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। এর মধ্যে ছিলেন তড়িৎ ও কম্পিউটার প্রকৌশল অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. কাজী দেলোয়ার হোসেন, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আবু কাউছার এবং স্থাপত্য ও পরিকল্পনা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ রাশিদুল হাসান।

এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন পরিবহন দপ্তরের পরিচালক সৈয়দ মাসরুর আহম্মদ এবং ছাত্রকল্যাণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মো. মাসুম রানা প্রামানিক।

আলহাজ্ব জসিম উদ্দীন ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন ভাইস-চেয়ারম্যান মোহাম্মদ জোবায়ের উদ্দিন তানসি, পরিচালক মোহাম্মদ মোক্তার আহমেদ, নোয়াপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ হাবিব উল্লাহ সহ অনেকে।

 এ বিষয়ে ছাত্রকল্যাণ অধিদপ্তর এর সহকারী পরিচালক মোঃ মাসুম রানা প্রামানিক চুয়েটনিউজ২৪কে জানান,” আমাদের শিক্ষার্থীদের জন্য চারটি বাস দিবে ওরা। ২টি ছেলেদের ও দুইটি মেয়েদের। সম্পূ্র্ণ ওরাই অর্থায়ন করবে। শিক্ষার্থীদের যাতায়াতে যে সমস্যা হয়, কষ্ট করে আসতে হয়। এই বাসগুলো পেলে তাদের কষ্ট অনেকটাই লাঘব হবে।”

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন আশা প্রকাশ করেছে যে, এই চারটি বাস সংযোজনের মাধ্যমে চুয়েটের দীর্ঘদিনের পরিবহন সংকট অনেকাংশে লাঘব হবে এবং শিক্ষার্থীদের যাতায়াতে স্বস্তি ফিরে আসবে।