চুয়েটনিউজ২৪ ডেস্কঃ
দীপাবলী বয়ে আনে শুভ বার্তা, অন্ধকার থেকে আলোর পথে যাত্রার। ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের সঙ্গে আনন্দ-উল্লাসে এই দীপাবলী যেন এখন এক অনন্য সাংস্কৃতিক উৎসবও। এমনই ঐতিহ্য ও ভক্তির আবহে চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের(চুয়েট) ক্যাম্পাসে শ্রী শ্রী শ্যামা পূজা উপলক্ষে পালিত হলো দীপাবলী উৎসব।
গত ২০ অক্টোবর(সোমবার) সন্ধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস জুড়ে ছড়িয়ে পড়ে উৎসবের রঙ। সন্ধ্যা ৭টার দিকে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয় দীপাবলির এই বর্ণিল আয়োজনের। এসময় এতে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক কৌশল বিভাগের অধ্যাপক ড. নিপু কুমার দাশ, যন্ত্রকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ড. সজল চন্দ্র বণিক ও প্রভাষক প্রতীক চন্দ্র ঘোষ, এবং পুরকৌশল বিভাগের সহকারী অধ্যাপক শ্যামল আচার্য্য।
জানা যায়, অনুষ্ঠানের সূচনা হয় পবিত্র গীতা পাঠের মধ্য দিয়ে। এরপর ফানুস উড়িয়ে উৎসবের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাধীনতাচত্বর ও বাস্কেটবল মাঠের চারপাশে প্রদীপ জ্বালানো হয়, আর মাটিতে আঁকা রাঙ্গুলি যেন শোভা বাড়ায় দীপাবলির রাত্রির।
রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শুরু হয় সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা। এতে শিক্ষার্থীরা পরিবেশন করে গান, নৃত্য, ত্রিশিল্প ও নাটক।এসময় আনন্দ, সৃজনশীলতা ও ঐক্যের সুরে মুখর ছিল পুরো ক্যাম্পাস।
অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে আতশবাজির ঝলকানিতে রঙিন হয়ে ওঠে চুয়েটের আকাশ। নানা রঙের আলোয় ঝলমল করে উঠে পুরো ক্যাম্পাস, সৃষ্টি হয় এক মনোমুগ্ধকর দৃশ্য।
এসময় যন্ত্রকৌশল বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী অর্ণব কিশোর দাশ বলেন, ‘আজকে শ্যামা পূজা বা কালিপূজায় দীপাবলী অনুষ্ঠান পালন করা হয়েছে। এদিনে সকল সনাতনী শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যান্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা মিলে একত্রিত হয়ে, প্রদীপ জ্বালিয়ে সকলের মঙ্গল কামনা করা হয়েছে। খুব সুন্দর সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানও হয়েছে। সব মিলিয়ে খুব সুন্দর একটা সন্ধ্যা ছিল।’
আবার, স্থাপত্য বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী বিজয় নাথ চুয়েটনিউজ২৪ কে জানান, ‘একটা মন্দিরের জায়গা থাকলে হয়ত এই রকম অনুষ্ঠান, তারপর পূজা আয়োজন করতে যে অসুবিধাগুলা হয় এইগুলা হতো না। মন্দিরের জায়গায় আরও সুন্দরভাবে আয়োজন করা যেতো।’