যাত্রা শুরু করলো আইসিই চুয়েট স্টুডেন্ট চ্যাপ্টার

তানভীর আহমাদ

চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট)-এ আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের মাধ্যমে যাত্রা শুরু করেছে ইনস্টিটিউশন অব সিভিল ইঞ্জিনিয়ার্স (আইসিই) চুয়েট স্টুডেন্ট চ্যাপ্টার। গতকাল ১ ফেব্রুয়ারি (রবিবার) দুপুর আড়াইটার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের পুরকৌশল বিভাগের সেমিনার কক্ষে এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চুয়েটের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মাহমুদ আব্দুল মতিন ভূইয়া। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পুর ও পরিবেশ কৌশল অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. আসিফুল হক, বোর্ড অব অ্যাক্রিডিটেশন ফর ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড টেকনিক্যাল এডুকেশন ও আইসিই রিপ্রেজেন্টেটিভ ফর বাংলাদেশ-এর সাবেক চেয়ারম্যান ড. আ ফ ম সাইফুল আমিন, আইসিই বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন এর সভাপতি প্রকৌশলী নাশিদ ইসলাম এবং সাধারণ সম্পাদক ড. প্রকৌশলী খন্দকার শাকিল আহমেদ।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ১২ সদস্যবিশিষ্ট আইসিই চুয়েট স্টুডেন্ট চ্যাপ্টারের কমিটি ঘোষণা করা হয়। এতে সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হন পুরকৌশল বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী আসিফুল আলম এবং সাধারণ সম্পাদক হিসেবে নির্বাচিত হন ইব্রাহিম খলিল আবির।

নবনির্বাচিত কমিটির সাধারণ সম্পাদক ইব্রাহিম খলিল আবির চুয়েটনিউজ২৪-কে জানান, “ইনস্টিটিউশন অব সিভিল ইঞ্জিনিয়ার্স (আইসিই) যুক্তরাজ্যভিত্তিক প্রায় ২০০ বছরের পুরোনো একটি স্বনামধন্য পেশাদার সংগঠন, যা বিশ্বজুড়ে ‘চার্টার্ড ইঞ্জিনিয়ার’-দের জন্য সুপরিচিত। সম্প্রতি চুয়েটে এই মর্যাদাপূর্ণ সংগঠনের একটি স্টুডেন্ট চ্যাপ্টার যাত্রা শুরু করেছে। এটি আমাদের পুরকৌশল বিভাগের শিক্ষার্থীদের পেশাগত জীবনের বিভিন্ন মাইলফলক অর্জন এবং আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের সাথে পরিচিত হওয়ার অনন্য সুযোগ তৈরি করবে।”

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন পুরকৌশল বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. মোঃ রিয়াজ আকতার মল্লিক। স্বাগত বক্তব্য রাখেন চুয়েট আইকিউএসি’র পরিচালক ও পুরকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ড. মোঃ আব্দুর রহমান ভূঁইয়া। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন পুরকৌশল বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী অনিন্দ্য সরকার অংকন ও ফাহিম নুজহাত জাহিন।

জানা যায়, এই স্টুডেন্ট চ্যাপ্টার প্রতিষ্ঠার মূল লক্ষ্য হলো পুরকৌশল বিভাগের শিক্ষার্থীদের জন্য একটি কার্যকর প্ল্যাটফর্ম তৈরি করা। এর মাধ্যমে সেমিনার, কর্মশালা, টেকনিক্যাল সেশন, সাইট ভিজিট এবং শিল্পক্ষেত্রের পেশাদারদের সঙ্গে যোগাযোগের সুযোগ সৃষ্টি হবে, যা পুরকৌশল শিক্ষার্থীদের উৎকর্ষতা, নৈতিকতা, নেতৃত্ব ও পেশাদারিত্ব অর্জনে সহায়ক ভূমিকা রাখার পাশাপাশি তাদের পেশাগত দক্ষতা ও উন্নয়নকে আরও সমৃদ্ধ করবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।