চুয়েটের সাংস্কৃতিক সংগঠন জয়ধ্বনির নতুন কমিটি ঘোষণা; সভাপতি মোস্তফা ও সম্পাদক সাকিব

স্নেহা ভূঞাঁঃ-

চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) একমাত্র সাংস্কৃতিক সংগঠন ‘জয়ধ্বনি’র ২০২৬-২৭ মেয়াদের নতুন কার্যকরী কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। গত ৪ আগস্ট (মঙ্গলবার) আইটি বিজনেস ইনকিউবেটরের মিলনায়তনে সংগঠনটির বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

নতুন কমিটিতে সভাপতি হিসেবে যন্ত্রকৌশল বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী মোস্তফা খালিদ বিন শামস এবং সাধারণ সম্পাদক হিসেবে একই বিভাগের একই বর্ষের শিক্ষার্থী সাকিব হাসান নির্বাচিত হয়েছেন।

৩২ সদস্য বিশিষ্ট কমিটিতে আরও রয়েছেন সহ-সভাপতি (এডমিন) রূপম পোদ্দার, সহ-সভাপতি (কালচারাল) সাজিদ মাহমুদ , সাংগঠনিক সম্পাদক এবাদুর রহমান, অর্থ সম্পাদক মীর জি.এইচ.এম শাহরিয়ার সহ অনেকে।

উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েম। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন সংঠনটির উপদেষ্টা নগর ও পরিকল্পনা বিভাগের অধ্যাপক ড.রাশিদুল হাসান, সংগঠনটির বিদায়ী মডারেটর ও যন্ত্রকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সানাউল রাব্বী পাভেল এবং সংগঠনের নতুন মডারেটর ও স্থাপত্য বিভাগের অধ্যাপক ড. সজল চৌধুরী।

নবনির্বাচিত সভাপতি মোস্তফা খালিদ বিন শামস তার বক্তব্যে জানান, “সম্মানিত শিক্ষকমন্ডলী ও সিনিয়রদের ধন্যবাদ আমাদের উপর ভরসা রাখার জন্য। একটি অরাজনৈতিক সাংস্কৃতিক সংগঠন হিসাবে আমাদের ক্লাবের দায়বদ্ধতা অনেক বেশি।সামনের দিনগুলোতেও যেনো ক্লাবের বিগত ২৬ টি বছরের ঐতিহ্যকে বহন করে সম্মানের সাথে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে পারি,সেজন্য কমিটির সবাই ও জুনিয়রদের সহযোগিতা এবং শ্রদ্ধেয় শিক্ষকমণ্ডলী এবং সিনিয়রদের সঠিক দিকনির্দেশনা কামনা করছি।”

সাধারণ সম্পাদক সাকিব হাসান তার বক্তব্যে বলেন,”ক্যাম্পাসে সুস্থ সাংস্কৃতিক চর্চার প্রসার ঘটানোর জন্যই বছরের পর পর বছর আমাদের সিনিয়ররা কাজ করে গেছেন। সামনের দিনগুলোতেও আমরা শিক্ষার্থীদের মেধা ও মনন এর বিকাশের জন্য এই ধারা অব্যাহত রাখতে চাই।”

উল্লেখ্য, অনুষ্ঠানটিতে ২০২৬-২০২৭ বর্ষের নব কার্যকরী কমিটি ঘোষণার পাশাপাশি সাদরে এবং কৃতজ্ঞচিত্তে বিদায় জানানো হয় ২০২৫-২০২৬ বর্ষের কার্যকরী কমিটিকে। সেই সাথে জয়ধ্বনি পরিবারের সুসম্প্রসারণ এবং চুয়েট ক্যাম্পাসকে আকাশসংস্কৃতির প্রভাব থেকে মুক্ত রেখে সুস্থধারার সংস্কৃতিচর্চার ধারা অব্যাহত রাখবে নতুন কমিটি – এমন আশা ব্যক্ত করেন বক্তারা।