চুয়েটে কাল থেকে শুরু হচ্ছে পুরকৌশল বিভাগের আন্তর্জাতিক সম্মেলন

ফাইয়াজ মুহাম্মদ কৌশিকঃ

চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (চুয়েট) শুরু হতে যাচ্ছে “৭ম পুরকৌশল অগ্রগতি বিষয়ক আন্তর্জাতিক সম্মেলন”। বিশ্ববিদ্যালয়ের পুরকৌশল বিভাগের আয়োজনে আগামী ১২ ডিসেম্বর (বৃহস্পতিবার) থেকে ১৪ ই ডিসেম্বর (শনিবার) পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে উক্ত সম্মেলনটি।

তিনদিন ব্যাপী আয়োজিত এ সম্মেলনে বিশ্বের মোট ৮ টি দেশ (বাংলাদেশ, অস্ট্রেলিয়া, কানাডা, আমেরিকা, নিউজিল্যান্ড, সংযুক্ত আরব আমিরাত, নেদারল্যান্ড ও জাপান) থেকে শীর্ষ স্থানীয় গবেষক ও ব্যক্তিবর্গ অংশ নেবেন। ২ টি মূল প্রবন্ধ এবং ৪ টি আমন্ত্রিত প্রবন্ধের পাশাপাশি এ সম্মেলনে সর্বমোট ৪৪৭ টি গবেষণা পত্র উপস্থাপন করা হবে।

এ সম্মেলনের উদ্ভোদনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বিশ্ববিদ্যালয়ের মঞ্জুরী কমিশনের এর সদস্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ তানজিমুদ্দিন খান। বিশেষ অতিথি হিসেবে থাকবেন চুয়েটের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মাহমুদ আব্দুল মতিন ভূইয়া, চুয়েটের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক, চুয়েটের সাবেক উপাচার্য ও পুরকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ড. মোঃ জাহাঙ্গীর আলম। এছাড়া অতিথি হিসেবে থাকবেন পুর ও পরিবেশ কৌশল অনুষদের ডীন অধ্যাপক ড. সুদীপ কুমার পাল। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন সম্মেলনের সভাপতি ও পুরকৌশল বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. আয়শা আখতার।

উক্ত সম্মেলনের ব্যাপারে ড. আয়েশা আখতার বলেন,
এবছরের মে মাস থেকে আমরা এই সম্মেলনের প্রস্তুতি নিচ্ছি। প্রাথমিক ভাবে আমাদের কাছে ১০৮৩ টি প্রবন্ধ জমা পড়ে যা সত্যিই আনন্দের। পরবর্তীতে আমরা সেখান থেকে বিভিন্ন ধাপে যাচাই বাছাই করে ৪৪৭ টি গবেষণা পত্র উক্ত সম্মেলনটর জন্যে নির্বাচন করি। ৭ম বারের মতো আয়োজিত আন্তর্জাতিক এই সম্মেলনের মাধ্যমে আমরা চুয়েটকে বিশ্বের দরবারে তুলে ধরার চেষ্টা করছি। পাশাপাশি আমরা পুরকৌশল বিদ্যার অগ্রগতি ও বিকাশে অংশীদার হওয়ার চেষ্টা করছি।

সম্মেলনটির সম্পাদক অধ্যাপক ড. মো. সজীব উল্লাহ এ ব্যাপারে বলেন, এ ধরনের সম্মেলনের মূল উদ্দেশ্য সবাইকে গবেষণায় উৎসাহিত করা। এখান থেকে যে উদ্ভাবনগুলো আসবে, তা যদি ভবিষ্যতে দেশ ও বিশ্বের কল্যাণে ব্যবহৃত হয় তাতেই আমাদের সম্মেলনের সাফল্য। পাশাপাশি সাধারণ শিক্ষার্থীরাও এমন আয়োজন দেখে নতুন কিছু করার জন্য উদ্ধুদ্ধ হবে এটাই আমাদের প্রত্যাশা।

উল্লেখ্য, ৩ দিনের এই সম্মেলনে ১৮৪ টি অনলাইন ও ২৬৩ টি অফলাইন গবেষণা পত্র উপস্থাপিত হবে। এছাড়াও বিভিন্ন আলোচনা, সেমিনার ও সেশনের পাশাপাশি থাকবে টেকনিক্যাল ট্যুর ও সাইট ভিজিটের ব্যবস্থা।