চুয়েট ইইই সুপার কাপে চ্যাম্পিয়ন ‘১৮ ব্যাচ

চুয়েটনিউজ২৪ ডেস্কঃ

চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (চুয়েট) তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক কৌশল বিভাগের(ইইই) পৃষ্ঠপোষকতায় ৪র্থ বর্ষ(‘১৮ ব্যাচ) ও ৩য় বর্ষের(‘১৯ ব্যাচ) শিক্ষার্থীদের মধ্যে একটি প্রীতি ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আজ বৃহস্পতিবার(১৭ আগস্ট) বিকাল ৫.১৫ টা’য় বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মাঠে এ খেলা অনুষ্ঠিত হয়। যার নামকরণ করা হয়েছে চুয়েট ইইই সুপার কাপ-২০২৩। চুয়েটের ইইই বিভাগের সহকারী অধ্যাপক জিতু প্রকাশ ধরের সার্বিক সহযোগিতা ও সভাপতিত্বে আয়োজিত এ ম্যাচে ২-১ ব্যবধানে ৩য় বর্ষ একাদশকে পরাজিত করেছে ৪র্থ বর্ষের সমন্বিত দল।
ম্যাচ শুরুর পর থেকেই হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের মাধ্যমে খেলা চালিয়ে যায় দুই পক্ষই। এতে প্রথমার্ধ গোলশূন্য অবস্থায় শেষ হয়। এরপর খেলার পরবর্তী সময়ে গোল করার জন্য আক্রমণাত্মক খেলা উপহার দেয় দুই দল। ভারী বৃষ্টির কারণে খেলায় কিছু বেগ পেতে হয় বলে জানান ১৮ ব্যাচের সমন্বয়ে গঠিত দলের অধিনায়ক মেজবাহ সালেহীন। সর্বমোট ৬০ মিনিটের খেলায় দ্বিতীয়ার্ধের খেলায় ৪০ তম মিনিটে ১৮ ব্যাচের হয়ে গোল করেন মাশরিফ জামান, এরপর ৪৫ তম মিনিটে ২য় গোল বয়ে আনেন নাসিম তালুকদার। খেলার শেষের ১০ মিনিট হাতে থাকতে প্রতিপক্ষের জালে গোল করেন ১৯ ব্যাচের শাহাদত হোসেন। এরপর খেলা ২-১ ব্যবধানে শেষ হয়। এর আগে ১৮ ব্যাচের হয়ে মাঠে খেলতে নামেন ইইই বিভাগের অধ্যাপক ড. নিপু কুমার দাস।

পরিশেষে প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন ও রানার্স আপ দলকে আন্তরিক অভিনন্দন জানান ইইই বিভাগের অধ্যাপক ড. নিপু কুমার দাস এবং আয়োজক কমিটির সভাপতি ও ইইই বিভাগের সহকারী অধ্যাপক জিতু প্রকাশ ধর। সমাপনী বক্তব্য ও পুরস্কার বিতরণী পর্বে জিতু প্রকাশ ধর বলেন, এ আয়োজন আমাদের সকলকে এক ছাতায় আনবে। আমি মনে করি ডিপার্টমেন্ট এমন আয়োজন সিনিয়র জুনিয়র ভাতৃত্ব বাড়াবে। ছাত্র শিক্ষক সম্পর্কগুলোকে সহজ করে তুলবে। আগামীতে এমন আয়োজন যেন আরও অনুষ্ঠিত হয় তেমনই চেষ্টা করবো। এতে সকলের সহযোগিতাও প্রয়োজন।

ইইই বিভাগের অধ্যাপক ড. নিপু কুমার দাস ও সহকারী অধ্যাপক জিতু প্রকাশ ধরের সাথে ট্রফি হাতে বিজয়ী ‘১৮ ব্যাচ

অধ্যাপক ড. নিপু কুমার দাস বলেন,এই প্রতিযোগিতা সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে আয়োজনের ফলে খেলাধুলায় শিক্ষার্থীরা আরও উৎসাহিত ও অনুপ্রাণিত হবে। এমন আয়োজন শিক্ষার্থীর মানসিক বিকাশেও ভুমিকা রাখবে। একাডেমিক চাপকে উপেক্ষা করে পড়াশুনার পাশাপাশি সহশিক্ষা কার্যক্রম তাদের মনকে প্রফুল্ল রাখবে।
পরিশেষ চ্যাম্পিয়ন ও রানার্স আপ দলকে পুরষ্কার স্বরুপ ট্রফি তুলে দেয়া হয়।