সাঈদ চৌধুরী, চুয়েটঃ
ম্যাচে হারলেই আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ স্বপ্ন এবারের মত শেষ হত।সেই সাথে শেষ হত বিশ্বসেরা ফুটবলার মেসির বিশ্বকাপ ছুয়ে দেখার স্বপ্ন।তাই ম্যাচের গুরুত্ব বুঝেই কনকনে শীতকে উপেক্ষা করে শত শত সমর্থকরা অধীর আগ্রহে চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়(চুয়েট)- কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে জড়ো হন।মঙ্গলবার দিবাগত রাত সাড়ে বারোটা থেকেই তাই জায়ান্ট স্ক্রিনে সরাসরি বিশ্বকাপ ফুটবল খেলা দেখতে ভিড় করতে থাকেন ফুটবলপ্রেমীরা।রাত ১টায় খেলা শুরু হওয়ার পর পরই শত শত সমর্থকের আগমন ঘটতে শুরু করে।দেখে মনে হবে এ যেন এক ফুটবল স্টেডিয়াম!
খেলা শুরুর প্রথমার্ধেই মেসির পেনাল্টিতে আর্জেন্টিনা এগিয়ে যায়।এতে উল্লাসে মেতে উঠেন সমর্থকেরা।আর্জেন্টিনার নান্দনিক ফুটবল খেলার ধরনে আজ জয়ের বিশ্বাস রাখতে পেরেছিলেন অনেকেই। দ্বিতীয়ার্ধ শুরুর আগেই সেটির প্রমাণ যেন হয়ে গেলো। ৩৯মিনিটে আলভারেজ ব্যবধান দ্বিগুণ করে আর্জেন্টিনা দলকে যেন আবারও নান্দনিকতায় ফেরালেন।দর্শকরাও যেন নতুন উদ্যমে খেলা দেখা শুরু করলেন। এরপর ৬৯মিনিটে মেসির চোখধাঁধানো অ্যাসিস্টে আলভারেজ ব্যবধান আরও বাড়ান। সবশেষে ৩-০ব্যবধানে আর্জেন্টিনার জয় যেন নিশ্চিত করে মাঠ ছাড়লো।

অবশেষে ফাইনাল নিশ্চিত করলো আর্জেন্টিনা। আজকের এই জয়ে বাঁধভাঙা উচ্ছ্বাসে মাতেন চুয়েটের সমর্থকেরা।
আর্জেন্টিনা সমর্থক চুয়েট শিক্ষার্থী আব্দুল্লাহ আল নাঈম উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে বলেন, এ জয় যেন মেসির স্বপ্নপূরণের দিকে এগিয়ে নিয়ে গেলো।একজন আর্জেন্টিনা সমর্থক হিসেবে আজ এক বিশাল আবেগ কাজ করছে।মেসির হাতে বিশ্বকাপটা উঠুক এই প্রত্যাশা থাকবে।

ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড এর সৌজন্যে ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রকল্যাণ দপ্তরের সহযোগিতায় এবারের বিশ্বকাপের সব খেলা দেখাতে চুয়েটের কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে একটি ডিজিটাল স্ক্রিন বসানো হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের সব হলগুলোতেও টিভিতে খেলা দেখার ব্যবস্থা ছিলো। বিশ্বকাপ ফুটবলের জমজমাট এসব খেলা দেখতে ক্যাম্পাসে ভিড় জমিয়েছেন শিক্ষার্থীসহ আশপাশের এলাকা থেকে আসা বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষ।