চুয়েটে অনুষ্ঠিত হলো সার্কিট অলিম্পিয়াড ২০২৬

তানভীর আহমাদ:-

দুই ঘণ্টার নির্ধারিত সময় আর সামনে পাঁচ ধরনের ইলেক্ট্রিক্যাল সার্কিট বিশ্লেষণের চ্যালেঞ্জ। সহজ, মাঝারি থেকে শুরু করে বোনাস প্রশ্ন—প্রতিটি ধাপেই সমীকরণ, তাত্ত্বিক ও বিশ্লেষণী দক্ষতার পরীক্ষার মুখোমুখি প্রতিযোগীরা – এমন আয়োজনেই চুয়েটে তৃতীয়বারের মতো অনুষ্ঠিত হলো ‘সার্কিট অলিম্পিয়াড’। ব্যতিক্রমী এ প্রতিযোগিতার আয়োজন করে চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) মহাকাশ ও রোবটিক প্রযুক্তিবিষয়ক সংগঠন এন্ড্রোমিডা স্পেস অ্যান্ড রোবোটিকস রিসার্চ অর্গানাইজেশন (এসরো)।

গত সোমবার (২৭ জুলাই) বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবন-২ এ আয়োজিত এই প্রতিযোগিতায় ২০২৫-২০২৬ শিক্ষাবর্ষের বিভিন্ন বিভাগের ১২০-এর অধিক শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন ।

প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী যন্ত্রকৌশল বিভাগের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী সাবাব উদ্দীন বলেন, “ এসরোর এই সার্কিট অলিম্পিয়াড এ অংশগ্রহণের অভিজ্ঞতা সত্যিই দারুণ ছিল। এসরো কমিটির সিনিয়র ভাই ও আপুদের আন্তরিক ব্যবহার এবং চমৎকার ব্যবস্থাপনা পুরো আয়োজনটিকে আরও উপভোগ্য করে তুলেছিল। অলিম্পিয়াডের প্রশ্নগুলো ছিল মানসম্মত এবং আমাদের মতো নবীন শিক্ষার্থীদের জন্য যথেষ্ট চিন্তাশীল ও কিছুটা চ্যালেঞ্জিং। এই প্রতিযোগিতা আমাদের সমস্যা সমাধানের দক্ষতা, চিন্তার পরিধি এবং সময় ব্যবস্থাপনার সক্ষমতা বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।”

আয়োজন সম্পর্কে জানতে চাইলে তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক কৌশল বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী অম্লান সরকার জানান, “এসরো সার্কিট অলিম্পিয়াডের এবার ছিল তৃতীয় আসর। প্রতি বছরের মতো এবারও এই অলিম্পিয়াড জুনিয়র ব্যাচের জন্য আয়োজন করা হয়েছে। প্রতিযোগিতাটি দুই ঘণ্টাব্যাপী অনুষ্ঠিত হয়েছে। পরীক্ষায় এমসিকিউ, সহজ, মাঝারি, কঠিন এবং বোনাস—এই পাঁচ ধরনের প্রশ্ন অন্তর্ভুক্ত ছিল, যাতে অংশগ্রহণকারীরা তাদের অর্জিত সার্কিট-সম্পর্কিত জ্ঞান ও দক্ষতা কার্যকরভাবে প্রয়োগের সুযোগ পায়।”

এছাড়া এবারের প্রতিযোগিতায় কৃতিত্বের ভিত্তিতে নির্বাচিত সেরা ১০ জনকে পুরস্কার ও সম্মাননা প্রদান করা হবে বলে জানিয়েছে আয়োজক কমিটি ।