“চুয়েট ছাত্রদলের পূর্ব ঘোষিত কমিটি চলমান থাকবে। শিবির চুয়েটে গুপ্তভাবে রাজনীতি করতে পারলে ছাত্রদল কেন প্রকাশ্যে তা পারবে না”
তানবির আহমেদ চৌধুরী:
শিক্ষার্থীদের দাবির প্রেক্ষিতে ২০২৪ সালের ৭ আগস্ট চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (চুয়েট) শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা নিষিদ্ধ করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। রাজনীতি নিষিদ্ধ চুয়েট ক্যাম্পাসে গত ১১ জুলাই ছাত্রদলের ৯ সদস্যের কমিটি ঘোষণা করা হয়। কমিটি গঠনের প্রতিবাদে সেদিন রাতে ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ করেন শিক্ষার্থীরা। পরে ঘোষিত কমিটিকে খসড়া কমিটি বলে পরদিন পুনরায় নতুন কমিটি প্রকাশিত হবে বলে চুয়েটনিউজকে জানান ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদ সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দিন। এদিকে গত ১৬ জুলাই চট্টগ্রামে ছাত্র সমাবেশে তিনি বলেন, চুয়েটে পূর্ব ঘোষিত ছাত্রদলের কমিটি চলমান থাকবে। এমন প্রেক্ষাপটে চুয়েটনিউজ২৪ এর সঙ্গে কথা বলেছেন বাংলাদেশ ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দিন। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন চুয়েটনিউজ২৪ এর সভাপতি তানবির আহমেদ চৌধুরী।
চুয়েটনিউজ২৪: আপনি কেমন আছেন?
সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ ছাত্রদল: আলহামদুলিল্লাহ ভালো আছি।
চুয়েটনিউজ২৪: চুয়েটে ছাত্রদলের যে কমিটিটি প্রকাশ হয়েছিল আপনি বলেছিলেন সেটি খসড়া কমিটি। এটি আবার পুনরায় প্রকাশ করার কথা ছিল কিন্তু পরবর্তীতে করা হয়নি। সে বিষয়ে একটু জানতে চাচ্ছিলাম।
সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ ছাত্রদল: হ্যাঁ আমাদের দপ্তর একটু পরেই আজকে (১৮ জুলাই) হয়তো করে দিবে। যে কমিটিটি খসড়া প্রকাশিত হয়েছে সেটিই ছাত্রদলের কমিটি হিসেবে থাকবে আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি।
চুয়েটনিউজ২৪: অর্থাৎ যে কমিটি আছে সেটিই থাকবে? কোন পরিবর্তন হবে না?
সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ ছাত্রদল: পরিবর্তন হলে কিছুটা হতে পারে তবে কমিটি এটাই থাকবে।
চুয়েটনিউজ২৪: আপনারা জানেন যে চুয়েটে প্রশাসনের নির্দেশে জুলাই পরবর্তীতে ছাত্র রাজনীতি নিষিদ্ধ আছে। এই জায়গায় প্রথম ছাত্রদলই কমিটি দিয়েছে এবং আপনি হয়তো শুনেছেন যে এই কমিটিতে যারা পদ পেয়েছে তাদেরকে প্রশাসন কারণ দর্শানোর নোটিশ পাঠিয়েছে। সে বিষয়ে আপনার কোন মন্তব্য থাকবে কিনা?
সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ ছাত্রদল: প্রথমত, বাংলাদেশের সকল ক্যাম্পাসে আমরা প্রকাশ্যে গণতান্ত্রিক রাজনীতি করার পক্ষপাতী এবং আমরা সেটাই চাই। চুয়েটে যেরকম কুয়েটেও একরকম। চুয়েটে এখন সমস্যা হয়েছে, কিন্তু আমরা কুয়েটের ক্ষেত্রেও এরকম বলেছি যে প্রকাশ্যে রাজনীতি থাকা উচিত। কিন্তু গণঅভ্যুত্থান পূর্ববর্তী সময়ে বিভিন্ন জটিলতাগুলো হয়েছে, সেগুলোর কারণে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন অনেকটা আবেগ তাড়িত হয়ে এরকম সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে রাজনীতি থাকতে পারবে না। এখন রাজনীতি থাকা না থাকার বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন নয়, বরং বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরাই সিদ্ধান্ত নিবে। সুতরাং বিশ্ববিদ্যালয় যে রাজনীতি বন্ধ করে দিয়েছে এ সিদ্ধান্ত বিশ্ববিদ্যালয় নিতে পারে না। প্রাথমিকভাবে এটিই আমাদের কথা। আর যে সকল শিক্ষার্থীদেরকে ছাত্রদলে পদ পাওয়ার কারণে শোকজ করেছে, তাঁরা শোকজের জবাব দিবে। ইতিমধ্যে আমাদের সাথে কথাবার্তা হয়েছে, আইনি বিষয়গুলো পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেই আমরা জবাবটা দিচ্ছি।
দ্বিতীয়ত, চুয়েটে বিভিন্ন গুপ্ত সংগঠনের দ্বারা কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। আমরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম গুলোতে দেখছি গুপ্ত সংগঠন বিভিন্ন কার্যক্রম করছে। যদিও তাঁরা কমিটি বাংলাদেশের কোথাও প্রকাশ করে না। তাঁরা গুপ্তভাবে রাজনীতি করতে চায়। শিবির যদি গুপ্তভাবে রাজনীতি করে চুয়েটে, তাহলে বাংলাদেশের জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল কেন প্রকাশ্যে রাজনীতি করতে পারবে না? এটা আমাদের বোধগম্য হয় না। এজন্য আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যসহ যারা প্রশাসনিকভাবে দায়িত্বপ্রাপ্ত তাদের কাছে আমাদের আহ্বান তাঁরা যেন সাধারণ শিক্ষার্থীদের বেশে মবকারী ও বিশৃঙ্খলাকারীদের ফাঁদে পা না দেন।
চুয়েটনিউজ২৪: আপনার বক্তব্যে আপনি বলেছেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে রাজনীতি থাকবে কি থাকবে না এ সিদ্ধান্ত নিবে ঐ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। চুয়েটে জুলাই পরবর্তী শিক্ষার্থীদের গণস্বাক্ষর নেওয়া হয়, সেখানে প্রায় ২৫০০ জনের বেশি শিক্ষার্থী রাজনীতি না থাকার পক্ষে স্বাক্ষর করেছিলেন। পরে শিক্ষার্থীরা রাজনীতি নিষিদ্ধ চেয়ে স্মারকলিপি জমা দিলে তার প্রেক্ষিতে চুয়েট প্রশাসন ছাত্র রাজনীতি নিষিদ্ধ ঘোষণা করে। এর পরে আপনাদের কাছে এমন কোন খবর গেছে কিনা যে শিক্ষার্থীরা চাচ্ছেন চুয়েটে ছাত্র রাজনীতি চালু করা হোক?
সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ ছাত্রদল: ২৫০০ শিক্ষার্থী ছাত্ররাজনীতি চায় না বলেছেন। এর মানে বাকী শিক্ষার্থীদের এতে মত নাই। সেটি আপাত দৃষ্টিকোণ থেকে আমার মনে হচ্ছে। শিক্ষার্থীরা ছাত্র রাজনীতি চায় বা চায় না, তাদের মতামত আমরা সাধুবাদ জানাচ্ছি যে তাঁরা তাদের মতামত দিয়েছে। মতামত প্রকাশ করতে পারছে এটা একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। কারণ, গত ১৬ বছর ধরে তাঁরা মতামত প্রকাশ করতে পারে নাই। সুতরাং যারা চায়না তাঁরাও তাদের মতামত প্রকাশ করছে এটিও একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হওয়া উচিত অথবা ইতিবাচক ভাবে চিত্রিত করা উচিত। সুতরাং, যে সকল শিক্ষার্থীরা চায় না আপনি বলেছেন সেটাও খুবই ইতিবাচক আবার বাকি শিক্ষার্থীদের মধ্যে অনেকেই আছে তারা ছাত্র রাজনীতি করতে চায় ক্যাম্পাসের মধ্যে, সেটাও তো ইতিবাচক দৃষ্টিতে দেখা উচিত বাকি শিক্ষার্থীদেরও।
চুয়েটনিউজ২৪: প্রশাসন যদি এখন শিক্ষার্থীদের মধ্যে কারা রাজনীতির চায় বা চায় না এর উপর একটি ভোট করে এবং সেখানে যদি একটা পরিস্থিতি তৈরি হয় যে অধিকাংশ শিক্ষার্থীরা চাচ্ছে না ছাত্র রাজনীতি থাকুক তখন আপনাদের কোন পদক্ষেপ থাকবে কিনা?
সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ ছাত্রদল: এক্ষেত্রে জাজমেন্টের প্রক্রিয়াটা কি হবে? এই যে চাওয়া না চাওয়ার যে পদ্ধতিটা এটা আমরা জানবো কিভাবে? আপনি যে ২৫০০ শিক্ষার্থীর কথা বললেন সেটা আমরা বুঝলাম কিন্তু বাকি শিক্ষার্থীদের তো আমরা জাজমেন্ট নেই নাই। বাকি যে সকল শিক্ষার্থী ছাত্রদলের রাজনীতি করতে চায় বা যারা আমাদের ফর্ম নিয়েছে তাঁরাও তো গুরুত্বপূর্ণ, তাঁরাও তো চুয়েটের সাধারণ শিক্ষার্থী। তাঁরাও চুয়েটে ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে উত্তীর্ণ হয়েছে। সুতরাং আপনি যা বলছেন এটি তো একটি প্রক্রিয়ার বিষয় যে কিভাবে এই প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন হবে, কত শিক্ষার্থী চায় বা না চায়। এটি তো অন্য বিতর্ক আসলে। এই এখতিয়ারের সাথে তো আমরা সম্পৃক্ত না বা আমাদের জানার কথা না। আমরা মনে করি অন্য যে কোন বিশ্ববিদ্যালয়ের মত প্রকাশ্যে গণতান্ত্রিক রাজনীতি থাকা উচিত। আমরা আহবান করছি যে আপনি ছাত্রদলে আসেন। আপনি না আসলে তো আমরা আপনাকে বাঁধাগ্রস্ত করছি না। বাধা দিলে সেটি হবে আপনার মৌলিক অধিকারের পরিপন্থী। কিন্তু কোন সাধারণ শিক্ষার্থী যদি রাজনীতি করতে চায় ছাত্রদল হোক কিংবা অন্য কোন ছাত্র সংগঠন হোক এতে যদি আপনি বাঁধাগ্রস্ত করেন তাহলে এটি তাঁর মৌলিক অধিকারের পরিপন্থী। এতে তাঁর মৌলিক অধিকার, রাজনৈতিক অধিকার ক্ষরণ হচ্ছে। কেউ রাজনীতি চায় না , ঠিক আছে তাদের মতকে আমরা স্বাগত জানাই । শুধু ছাত্রদলকে না বাংলাদেশের সকল ছাত্র সংগঠনগুলো তাদের প্রকাশ্যে রাজনীতি করার যে ধারণা সেটিও তাঁরা প্রকাশ করতে পারে। অন্য ছাত্র সংগঠনও যদি রাজনীতি করে তাদেরও আমরা সাধুবাদ জানাচ্ছি। গুপ্ত সংগঠন গুপ্তভাবে রাজনীতি করুক এটি কোনভাবে প্রত্যাশিত আচরণ মনে হয় না। কিন্তু চুয়েটে আমরা দেখেছি যে এই গুপ্ত সংগঠন বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভিন্ন প্রোপাগান্ডা করে যাচ্ছে। সেগুলোর বিষয়ে আপনাদের গণমাধ্যম কর্মী হিসেবে আরো বেশি সতর্ক থাকা উচিত বলে আমরা মনে করি। সর্বশেষ যে সেশনটা আপনাদের এখানে ভর্তি হলো তাদেরকে স্বাগত জানানোর জন্য চুয়েটে ওদের যে গুপ্ত গ্রুপগুলো অথবা শিবিরের পক্ষ থেকে তাদেরকে স্বাগত জানানো হচ্ছে। তাদেরকে হটলাইন নাম্বার দিয়ে বলা হচ্ছে যে এই নাম্বারে যোগাযোগ করুন। এই পুরো প্রক্রিয়াটিই তো রাজনীতির অন্তর্ভুক্ত। এটি তাঁরা গুপ্ত ভাবে করছে সুতরাং আমরা যেটি করছি সেটি তো প্রকাশ্যে। গণতান্ত্রিক রাজনীতি করছি। সুতরাং কেউ যদি চায় সে রাজনীতি পছন্দ করবে না তাকেও আমরা স্বাগত জানাই কারণ তাঁর বেছে নেওয়ার অথবা পছন্দ করার অধিকার রয়েছে।
চুয়েটনিউজ২৪: ছাত্ররাজনীতির বিষয় নিয়ে আমরা কুয়েটে ইতিমধ্যে একটা সমস্যা দেখেছি। সেখানে ৫ মাস ধরে ক্লাস বন্ধ আপনি জানেন। আপনার মনে হয় কিনা যে চুয়েটেও এরকম পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে?
সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ ছাত্রদল: কেন চুয়েট কি বাংলাদেশের অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আলাদা নাকি? বাংলাদেশের অনেক বিশ্ববিদ্যালয় যেমন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালতে ছাত্র রাজনীতি চলমান রয়েছে। সেখানে বিভিন্ন ছাত্র সংগঠন রাজনীতি করছে। সেখানে পরিবেশ বিনষ্ট হচ্ছে নাকি? সেটার জন্য যদি শিক্ষা কার্যক্রম অথবা সাধারণ শিক্ষার্থীদের কোন বিষয়ে সমস্যা হয়, তাহলে আমরা সেটি পুনর্বিবেচনা করবো। সাধারণ শিক্ষার্থীদের অধিকার আদায়ের যে সংগ্রাম এটিকে আমরা আরও ত্বরান্বিত করতে চাই। সুতরাং আমাদের এই কার্যক্রমে কোনো শিক্ষার্থীদের ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার কোন সুযোগ আমাদের দিক থেকে নেই।
চুয়েটনিউজ২৪: বিগত পাঁচ বছর ধরে বিভিন্ন ক্যাম্পাসে ছাত্রলীগ যেভাবে শিক্ষার্থীদের নির্যাতন করেছে, ছাত্রদলের অনেক নেতাকর্মীরাও এর শিকার। আগামীতে এরকম পরিস্থিতি তৈরি হওয়ার কোন সম্ভাবনা আছে কী না?
সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ ছাত্রদল: আমাদের কার্যক্রমে শিক্ষার্থীরা কোনভাবেই ক্ষুব্ধ হবে না এবং তাদের ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার কোন সুযোগ নেই। তবে চুয়েটে অবশ্যই প্রকাশ্যে রাজনীতি হওয়া উচিত। গুপ্ত রাজনীতির জন্য শিক্ষার্থীরা আরো বেশি ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে। সেজন্য বাংলাদেশের সকল প্রতিষ্ঠানে গণতান্ত্রিক উপায়ে প্রকাশ্য রাজনীতি আমরা আশা করি। শুধু চুয়েট না সকল জায়গাতে আমরা এটি প্রত্যাশা করি যে তারা প্রকাশ্যে রাজনীতি করবে। মানে শিক্ষার্থীদের জন্য যেন কোন বিভ্রান্তির সুযোগ না থাকে।
চুয়েটনিউজ২৪: যারা নতুন কমিটিতে এসেছেন তাদের প্রতি আপনাদের কোন নির্দেশনা থাকবে কি না?
সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ ছাত্রদল: আমরা ইতিমধ্যে আমাদের কেন্দ্রীয় দপ্তর থেকে অফিশিয়ালি নির্দেশনা দিয়েছি। তাদের বলেছি, গণঅভ্যূত্থানের চেতনাকে ধারণ করে ছাত্রদলের রাজনীতি পরিচালিত করতে হবে। ইতিমধ্যে আমরা প্রায় আঠারোশ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আমাদের সাংগঠনিক কার্যক্রম করে তুলেছি গত তিন থেকে চার মাসের মধ্যেই। চুয়েট তার মধ্যে অন্যতম। আমরা মনে করেছি এখন এই অভ্যুত্থানের মাইলফলক হচ্ছে ইতিবাচক রাজনীতি তৈরি করতে হবে। পরিবর্তনশীল রাজনীতিতে খাপ খাইয়ে নিতে হবে। গেস্টরুম কালচার, পিটিয়ে মানুষ মেরে ফেলা যেটি হয়েছে বুয়েটে আবরার হত্যাকান্ড, বিশ্বজিৎ হত্যাকান্ড অথবা রগ কেটে মানুষ হত্যার রাজনীতি এসব রাজনীতি শিক্ষার্থীরা আর কোনভাবেই চায় না। সুতরাং পরিবর্তনের রাজনীতিতে যেন চুয়েটের ছাত্রদলের নেতৃবৃন্দ অংশ নিতে পারে, তাদের প্রতি আমাদের সতর্কতা রয়েছে এবং একইসাথে আমাদের পরামর্শও রয়েছে। এক্ষেত্রে সিদ্ধান্তটা তাদেরকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যে ভবিষ্যতের রাজনীতিটা আসলে কিভাবে করতে হবে।
চুয়েটনিউজ২৪: দীর্ঘক্ষণ সময় দেয়ার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।
সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ ছাত্রদল: আপনাকেও ধন্যবাদ।