You are currently viewing চুয়েট স্থাপত্যের আয়োজনে টেকসই শহর ও হাউজিং বিষয়ক সেমিনার সম্পন্ন হয়েছে

চুয়েট স্থাপত্যের আয়োজনে টেকসই শহর ও হাউজিং বিষয়ক সেমিনার সম্পন্ন হয়েছে

  • Post published:December 19, 2021
  • Post comments:0 Comments

চুয়েট নিউজ২৪ ডেস্ক:

১৯ ডিসেম্বর চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) স্থাপত্য বিভাগের হাউজিং ও সেটলমেন্ট ল্যাবের উদ্যোগে “টেকসই ভবিষ্যৎ শহর ও সবুজ নির্বাসনের ভূমিকা” শিরোনামে এক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রবিবার সকাল ১১:০০ টায় উক্ত সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।

সেমিনারে প্রধান বক্তা হিসেবে ভার্চুয়ালি উপস্থিত ছিলেন ড. নাগেন্দ্র কুমার শর্মা, যিনি পোস্ট ডক্টরাল ফেলো হিসেবে চায়ং ইউনিভার্সিটি, তাইওয়ানে নিযুক্ত আছেন।

সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চুয়েট উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রফিকুল আলম। বিশেষ অতিথি ছিলেন চুয়েটের স্থাপত্য ও পরিকল্পনা অনুষদের ডীন অধ্যাপক ড. মো. কামরুল হাসান।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন স্থাপত্য বিভাগের বিভাগীয় প্রধান সহযোগী অধ্যাপক শ্রী কানন কুমার দাশ।

উক্ত সেমিনারে ভার্চুয়ালি সংযুক্ত ছিলেন ভারতের যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় এর অধ্যাপক মৈনাক ঘোষ, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের উর্ধ্বতন স্থপতি মোঃ আবদুল্লাহ ওমর এবং আরও অনেকে।

সেমিনারে প্রধান বক্তা টেকসই উন্নয়নের ধারণা, ৩বিএল অব সাসটেইনেবিলিটি, বর্তমান শহরের সমস্যাসমূহ, টেকসই ভবিষ্যৎ শহরের ধারণা, গ্রিন হাউজিং ধারণা, ইকো-লেবেলস অব গ্রিন হাউজিং ক্যারিয়ারস ইত্যাদি বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।

চুয়েট মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রফিকুল আলম বলেন, “বর্তমান সময়ে গ্রিনহাউজ টেকসই উন্নয়নের মাধ্যমে সকল সহজলভ্য সংস্থান একত্রিত করে পরিবেশকে রক্ষা করা অত্যন্ত জরুরি একটি পদক্ষেপ। গ্রিন হাউজিং মানেই পরিবেশবান্ধব ও টেকসই পরিকল্পনা এবং সংস্থানের অপচয় না করে ভবিষ্যৎ প্জন্মের জন্য সঞ্চিত রাখা। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ডিজিটাল বাংলাদেশ লক্ষ্য পূরণে পরিবেশের প্রয়োজনীয়তা অনুসারে টেকসই নগর পরিকল্পনায় জোর দিয়েছি। এ লক্ষ্য সামনে আমাদের আরো অনেক বড় পথ অতিক্রম করতে হবে।”

অনুষদের ডীন অধ্যাপক ড. মো. কামরুল হাসান বলেন, “টেকশই উন্নয়ন আর স্থাপত্য ও পরিকল্পনা এক সাথে বাধা, তাই সময়োপযোগী এই ধরনের সেমিনার শিক্ষার্থী সহ সকলই খুব উপকৃত হবে।”

এ বিষয়ে বিভাগীয় প্রধান শ্রী কানন কুমার দাশ বলেন, “হাউজিং সংক্রান্ত বিষয়গুলো পরিকল্পনা পর্যায় থেকেই উপযুক্তভাবে চিন্তা করা উচিত। এখানে পানি হারভেস্টিং, বায়োগ্যাস প্লান্ট পরিকল্পের মতো কাজ করার সুযোগ বাড়তে পারে যাতে টেকসই উন্নয়নও সম্ভব হবে। এই ধরণের সেমিনার আমাদের শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ ডিজাইন নিয়ে নতুনভাবে চিন্তা করার দ্বার খুলে দেবে।”

বিভাগের প্রভাষক রাহানাত আরা জাফরের সঞ্চালনায় সেমিনারে সক্রিয় প্রাণবন্ত আলোচনায় অংশগ্রহন করেন বিভাগের সহকারী সহকারী অধ্যাপক সজীব পাল , সহকারী অধ্যাপক বিপ্লব কান্তি বিশ্বাস, সহকারী সহকারী অধ্যাপক সারাহ বিনতে হক ও সহকারী অধ্যাপক শাইলা শারমিন । উপস্থিত ছিলেন বিভাগের সহকারী সহকারী অধ্যাপক সহকারী অধ্যাপক শুভ্র দাস, সহকারী অধ্যাপক সাঈদা তাহমিনা তাসনিম, প্রভাষক জাকিয়া সুলতানা, প্রভাষক প্রাঞ্জিব পাল, বিভাগের শিক্ষার্থী এবং কর্মচারীবৃন্দ।
এমন শিক্ষা নির্ভর উদ্যোগ ভবিষ্যতে অব্যাহত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করার মাধ্যমে প্রধান বক্তাকে ভার্চুয়ালি সনদপত্র দিয়ে সম্মানিত করে বিভাগীয় প্রধান শ্রী কানন কুমার দাশ সেমিনারের সমাপ্তি ঘোষণা করেন।

Leave a Reply