জারীন তাসমীন সাবা
রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (রুয়েট) গত ৬ ডিসেম্বর (শনিবার) অনুষ্ঠিত হলো “জিওপ্ল্যান ১.০”, যা ভূ-তথ্য ব্যবস্থা, পরিবেশ বিশ্লেষণ ও স্থানিক তথ্যপ্রযুক্তি ভিত্তিক এক অনন্য প্রতিযোগিতা। দিনব্যাপী উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত প্রতিযোগিতার মূল আকর্ষণ ছিল ‘জিওএরিনা’, যেখানে প্রতিযোগীদেরকে মাত্র এক ঘণ্টার মধ্যে খরা সূচক বিশ্লেষণ ও জিওডেটাবেজ প্রস্তুতির ওপর একটি বাস্তবমুখী কেস সমাধান করতে হয়। শিক্ষার্থীদের দক্ষতা, বিশ্লেষণী ক্ষমতা ও বাস্তবসম্মত সমস্যা সমাধানের যোগ্যতা যাচাইয়ের উদ্দেশ্যে আয়োজিত এই কর্মসূচিতে দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মোট ১৪টি দল অংশগ্রহণ করে।
দেশের নামকরা বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর প্রতিযোগী দলগুলোকে পিছনে ফেলে চূড়ান্ত পর্যায়ে স্থান করে নেয় তিনটি দল। চ্যাম্পিয়ন হয় জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের মো. জুনায়েদ ইসলাম ও মো. ইব্রাহিম রাহুল। প্রথম রানার–আপ হয় খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের মো. তাওফিকুল ইসলাম। আর দ্বিতীয় রানার–আপ হিসেবে গৌরব অর্জন করে চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) শিক্ষার্থী জাহিদ হাসান ও জুবাইদ ইসলাম।
চুয়েটের দ্বিতীয় রানার–আপ দল প্রতিযোগিতা শেষে তাদের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন। দলের সদস্য জুবাইদ ইসলাম বলেন, রুয়েট জিআইএস ক্লাবের আয়োজনে অংশ নিতে পারা নিঃসন্দেহে আনন্দের। নতুন পরিবেশে প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের অভিজ্ঞতা ভালো লাগলেও কিছু দিক উন্নয়নের সুযোগ রয়েছে। ক্যাম্পাসের ভেতরে ইভেন্টের অবস্থান নির্দেশে স্পষ্ট ব্যানার বা সংকেত থাকলে অংশগ্রহণকারীদের জন্য চলাচল আরও সহজ হতো। আয়োজনের নির্দেশনা ও সামগ্রিক সমন্বয় আরও কিছুটা গুছানো হলে পুরো প্রতিযোগিতাটি আরও নির্বিঘ্ন হতো বলে আমার মনে হয়েছে।
আরেক সদস্য জাহিদ হাসান তার অভিজ্ঞতা জানিয়ে বলেন, পুরো আয়োজনটি থেকে আমরা অনেক কিছু শিখেছি। তবে বিজয়ীদের জন্য তাৎক্ষণিক পুরস্কার বা প্রতীকী চেক প্রদানের ব্যবস্থা থাকলে অংশগ্রহণকারীদের উৎসাহ আরও বৃদ্ধি পেত। এমন ছোট ছোট বিষয়ই একটি আয়োজনকে স্মরণীয় করে তোলে। ভবিষ্যতে রুয়েট জিআইএস ক্লাব আরও পরিপাটি ও পেশাদার আয়োজনে সবার জন্য আরও সুন্দর অভিজ্ঞতা তৈরি করবে বলে আশা করছি।