সম্পন্ন হলো ‘প্লাস্টিকমুক্ত টেকসই সামুদ্রিক পরিবেশ’ ক্যাম্পেইন

চুয়েটনিউজ ২৪ ডেস্ক:

চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট) এর পুরকৌশল বিভাগ ও এসসিআইপি প্লাস্টিকস প্রকল্পের উদ্যোগে “প্লাস্টিকমুক্ত টেকসই সামুদ্রিক পরিবেশ” শীর্ষক সচেতনতামূলক ক্যাম্পেইনের সমাপনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ ১৫ নভেম্বর (শনিবার) নগরীর রেডিসন ব্লু হোটেলের মোহনা বলরুমে অনুষ্ঠানটি আয়োজিত হয়।

অনুষ্ঠানে অনলাইনের মাধ্যমে প্রধান অতিথি হিসেবে যুক্ত ছিলেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন এবং পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান। অনুষ্ঠানে গেস্ট অব অনার হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চুয়েটের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মাহমুদ আব্দুল মতিন ভূইয়া এবং খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. মাকসুদ হেলালী। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পুর ও পরিবেশ কৌশল অনুষদের ডীন অধ্যাপক ড. আসিফুল হক, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ড. ফাহমিদা খানম, পুরকৌশল বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ড. মো. রিয়াজ আকতার মল্লিক এবং আইইবি চট্টগ্রাম কেন্দ্রের চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মানজারে খোরশেদ আলম। অনুষ্ঠানের চীফ প্যাট্রন ছিলেন জার্মানির বাউহাউস ইউনিভার্সিটি ভাইমারের এসসিআইপি প্লাস্টিকস প্রকল্পের লিডার প্রফেসর ড. ইকার্ড ক্রাফট। অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন এসসিআইপি প্লাস্টিকস প্রকল্পের বৈজ্ঞানিক পরিচালক ও চুয়েটের পুরকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ড. মোছা: ফারজানা রহমান জুথী। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন গবেষণা সহকারী জুশান আব্দুল্লাহ এবং চুয়েটের পুরকৌশল বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী নাজিয়াত বিনতে হারুন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেন, “বর্তমানে বাংলাদেশে অতিরিক্ত পরিমানে প্লাস্টিক ব্যবহার হচ্ছে। আমাদের বঙ্গোপসাগর প্লাস্টিক দূষিত সমুদ্রের মধ্যে নবম স্থানে আছে। প্লাস্টিক শুধু পরিবেশগত সমস্যা নয় বরং এটি অর্থনৈতিক সমস্যাও বটে। প্রথমে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে প্লাস্টিকমুক্ত করার প্রচেষ্টা শুরু করতে হবে। আমাদের তরুণ প্রজন্মকে প্লাস্টিকের ব্যবহার থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। তবে তারা ক্ষতিকর প্লাস্টিক ব্যবহার বাদ দিয়ে দেশকে স্থানীয় ও টেকসই প্লাস্টিকমুক্ত সমাধানের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাবে।”

তিনি আরও বলেন, “আমাদের দেশের জুট মিল গুলোর প্রায় বেশিরভাগই বন্ধ হয়ে আছে, আমরা যদি প্লাস্টিক ব্যবহার বন্ধ করি তাহলে আমাদের জুট মিল গুলো আবার চালু হওয়ার সুযোগ পাবে। এভাবে পরিবেশের পাশাপাশি আমরা অর্থনৈতিকভাবেও লাভবান হব।”

উল্লেখ্য, এসসিআইপি প্লাস্টিক প্রকল্পটি জার্মান ফেডারেল মিনিস্ট্রি ফর এনভায়রনমেন্ট, নেচার কনসারভেশন অ্যান্ড নিউক্লিয়ার সেফটি (বিএমইউভি) এর অর্থায়নে পরিচালিত হচ্ছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *