চুয়েটনিউজ২৪ডেস্ক:
চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (চুয়েট) কর্মরত চিকিৎসক ডা. মোহাম্মদ খোরশেদুল আলমের উপর হামলার ঘটনায় নিজে বাদি হয়ে হামলাকারীদের বিরুদ্ধে মামলা করেন। একই সাথে হামলার ঘটনায় টানা তৃতীয় দিন মানববন্ধন করেছে চুয়েট অফিসার্স এসোসিয়েশন।
মানববন্ধন চলাকালে অভিযুক্তদের আজীবন বহিষ্কার, ছাত্রত্ব বাতিলের দাবি করে কর্মকর্তা সমিতির সভাপতি প্রকৌশলী সৈয়দ মোহাম্মদ ইকরাম বলেন, দ্রুত এ হামলায় জড়িতদের সুষ্ঠ বিচার করা হোক।
মামলার বিষয়ে ডা. মোহাম্মদ খোরশেদুল আলম বলেন, আমার সামগ্রিক নিরাপত্তার জন্যে করা হয়েছে এ মামলা। যদি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন হামলার সুষ্ঠ বিচার করে তবে এ মামলা প্রত্যাহার করা হবে।
অপরদিকে অভিযোগ ও মামলাকে ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত উল্লেখ করে বিশ্ববিদ্যালয়ে স্বাধীনতা চত্বরে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে শিক্ষার্থীরা।
এই ব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ও বাংলাদেশ ছাত্রলীগ চুয়েট শাখার সভাপতি সৈয়দ ইমাম বাকের বলেন, ভিত্তিহীন মিথ্যা মামলা ও অভিযোগের প্রেক্ষিতে প্রকৌশলী এবং চিকিৎসক সমাজের মাঝে বিভ্রান্তি ছড়ানোয় এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাবমূর্তি রক্ষার্থে শিক্ষার্থীরা প্রতিবাদ সমাবেশ করে।
সমস্যা সমাধান কি পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে এমন প্রশ্নের জবাবে ছাত্রকল্যাণ পরিচালক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মশিউল হক বলেন, শৃঙখলা কমিটির এক্সটার্নাল মেম্বার থেকে দ্রুততম সময়ে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এদিকে কর্মকর্তা সমিতির কর্মবিরতি বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেক শিক্ষার্থীর সনদপত্র তোলা সহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কাজে মূল্যবান সময় ক্ষেপন করবে বলে মনে করছেন শিক্ষার্থীরা।
উল্লেখ্য গত ২০ জুলাই ছাত্রলীগকর্মী অতনু মুখার্জির বিরুদ্ধে ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্য এম্বুলেন্স না দেওয়ায় চুয়েট মেডিকেল সেন্টারে কর্মরত চিকিৎসককে লাঞ্চিত করার অভিযোগ উঠে।
তারিখঃ ৩১/০৭/২০১৯
