আহত মুক্তাদির শাওনকে অ্যাপোলো হাসপাতালে ভর্তি

shawn

চুয়েটনিউজ২৪ডেস্কঃ 

চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট)- এর কম্পিউটার প্রকৌশল বিভাগের শেষ বর্ষের (’১১ ব্যাচ) শিক্ষার্থী মুক্তাদির শাওনকে আজ বেলা ৪ টার দিকে ঢাকার অ্যাপোলো হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এর আগে গতকাল আহত শাওনকে চুয়েট মেডিকেল সেন্টার নেয়া হলে, সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার জন্য বলেন। আনুমানিক রাত ১১ টার দিকে তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। আজ সকালে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক আহতের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে ধারণা করেন। তাঁদের ধারণা শাওনের শরীরের অভ্যন্তরে রক্তক্ষরণ হচ্ছে। ফলে জরুরি ভিত্তিতে তাকে লাইফ সার্পোটে (আইসিইউ) নেয়ার জন্য উপদেশ দেন। সকাল সাড়ে ১০ টার দিকে চট্টগ্রামের জিইসি মোড়ে অবস্থিত চট্টগ্রাম মেডিকেল সেন্টারে লাইফ সার্পোটে (আইসিইউ) রাখা হয়। বেলা ২টার দিকে তাকে এয়ার এ্যাম্বুলেন্সে করে ঢাকায় নিয়ে যাওয়া হয়। আহত মুক্তাদির শাওন ঢাকার অ্যাপোলো হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আছে। সর্বশেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত সে কোমায় রয়েছে। তাঁকে লাইফ সাপোর্ট দিয়ে রাখা হয়েছে এবং অস্ত্রোপচারের সিদ্ধান্ত নেয়া হচ্ছে।

এই ঘটনা সম্পর্কে চুয়েট ছাত্রকল্যানের উপ-ছাত্রকল্যাণ পরিচালক ড. জি. এম. সাদিকুল ইসলামের সাথে কথা হলে, তিনি জানান, আজ সকাল থেকেই অমরা আহতের সাথেই ছিলাম, পরে তাঁকে এয়ার এ্যাম্বুলেন্সে করে ঢাকায় পাঠানো হয়। এই ব্যাপারে সুষ্ঠু তদন্তের জন্যে চার সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে ।

উল্লেখ্য যে, প্রত্যক্ষদর্শী ও আহত শিক্ষার্থীর সহপাঠী সূত্রে জানা যায়, গতকাল আনুমানিক সন্ধ্যা ৭ টার দিকে অপরপক্ষের ছাত্রলীগ কর্মী শেষ বর্ষের (’১২ ব্যাচ) রিসাদ হোসাইন ,সুস্ময় বড়ুয়া, সৈকত দত্ত ও ফারহান  সহ ৮-১০ জন হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার কথা বলে শাওনকে ড. কুদরত-ই-খুদা হলের ৩৬৪ নং রুম থেকে নিয়ে যায়। এরপর তাঁকে সিএনজিতে করে চুয়েটের পাশে অবস্থিত  ইমাম–গাজ্জালি বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের মাঠে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তাকে রড ও ধারালো অস্ত্র দিয়ে গুরুতরভাবে জখম করা হয়। পরে আহত অবস্থায় তাঁকে চুয়েট মেডিকেল সেন্টারের সামনে পাওয়া যায়। তবে প্রতিপক্ষের নেতা কর্মীরা তাদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার করেন।

২৮.০৯.২০১৬