চুয়েটনিউজ২৪.ডেস্ক:
চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (চুয়েট) শিক্ষার্থী,শিক্ষক,কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সকল প্রকার রাজনীতি নিষিদ্ধ করা হয়েছে। আজ বুধবার (০৭ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৩৬ তম জরুরী সিন্ডিকেট সভায় এ সিদ্ধান্ত গ্রহন করা হয়।বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. শেখ মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই সিদ্ধান্ত জানানো হয়।
উক্ত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, অত্র বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী ও শিক্ষক /কর্মকর্তা /কর্মচারীদের সকল ধরনের রাজনৈতিক সংগঠন এবং এর কার্যক্রমের সাথে সম্পৃক্ততা নিষিদ্ধ করা হলো। এই আদেশ অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয় বিধান অনুযায়ী শাস্তি প্রদান করা হবে। “
সম্প্রতি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনকে কেন্দ্র করে দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সাধারণ শিক্ষার্থীদের ওপর জুলুম-নির্যাতন এবং সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদে দলীয় লেজুড়বৃত্তিক ছাত্র রাজনীতি নিষিদ্ধের দাবি জানায় সাধারণ শিক্ষার্থীরা। ৭ই আগস্ট চুয়েট শিক্ষার্থীরা এ বিষয়ে বিবৃতি প্রদান করে।
বিবৃতিতে বলা হয়, “বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম মূল দাবি ছিল সকল প্রতিষ্ঠান রাজনীতি মুক্ত করা। আমরা চুয়েট থেকে এর সাথে সম্পূর্ণ একাত্মতা পোষণ করছি।” শিক্ষার্থীদের এই দাবি ও সার্বিক বিষয় বিবেচনা করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন থেকে ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধ করা হয়েছে বলে জানা যায়। “
প্রশাসনের এমন সিদ্ধান্ত সন্তুষ্ট হয়ে চুয়েটের নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগের ১ম বর্ষের শিক্ষার্থী আবু মুসা বলেন, চুয়েটের ছাত্ররাজনীতির মাধ্যমে ফায়দা লুটে কমিটিতে থাকা গুটিকয়েক ব্যক্তি। হয়রানির শিকার হয় মোস্ট জুনিয়র ব্যাচ। ছাত্ররাজনীতিতে প্রয়োজনে জুনিয়র নিয়ন্ত্রণের জন্য উপরের ব্যাচ থেকে চাপ দেয়া হয়। চুয়েট প্রশাসন কর্তৃক এই অসুস্থ রাজনীতি ও র্যাগিং চিরতরে বিদায় জানানোয় সাধারণ শিক্ষার্থীরা আনন্দিত ।