গোলাম মোস্তফা তানিম:
ইসলামিক ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজি (আইইউটি) ক্যাম্পাসে বিরাজ করছে উৎসবমুখর পরিবেশ। পুরো স্থানজুড়ে রঙিন ব্যানার, পোস্টার ও প্রযুক্তিপ্রেমী তরুণ-তরুণীদের ভিড়ে মুখর হয়ে ওঠে প্রাঙ্গণ। প্রদর্শিত হচ্ছে আধুনিক প্রযুক্তি, ইঞ্জিনিয়ারিং প্রজেক্ট ও সৃজনশীল নকশা। এই জমকালো আয়োজন দেখা যায় গত ৮ ও ৯ আগস্ট । আইইউটি-এর মেকানিক্যাল অ্যান্ড প্রোডাকশন ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ এবং অটোমোবাইল সোসাইটির যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয় দুইদিনব্যাপী “অটোমেক প্রতিযোগিতা ২০২৫”।
চুয়েট শিক্ষার্থীদের জন্য এই আয়োজন বিশেষ বটে, কারণ সেখানে চুয়েট থেকে অংশগ্রহণকারী ‘টিম ব্লিটজার চুয়েট’ অর্জন করেছে গৌরবোজ্জ্বল সাফল্য । প্রতিযোগিতার টার্বোক্যাড ইভেন্টে বিজয়ীর মুকুট পরে তারা। বিজয় দলের সদস্যরা হলেন- মুহতাসিমুল বারি, আসহাব বিন ফারুক, মেহেদী হাসান। দলটি অসাধারণ দক্ষতা, সৃজনশীলতা এবং দলগত সমন্বয়ের জন্য বিচারকদের প্রশংসা কুড়ায়।
জানা যায়, এই ইভেন্টে অংশগ্রহণকারী দলগুলোকে অটোমোবাইল যন্ত্রাংশের ধারণাগত নকশা তৈরি করতে দেওয়া হয়, যেখানে সহজ উৎপাদনযোগ্যতা ও স্বল্প ব্যয়ে সমাধান প্রদানের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।
এছাড়াও ‘টিম ব্লিটজার চুয়েট’ প্রতিযোগিতার ইঞ্জিন ব্লুপ্রিন্ট ইভেন্টেও তৃতীয় স্থান অর্জন করেছে। যেখানে প্রতিযোগীদের নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ইঞ্জিন সংযুক্ত ও বিচ্ছিন্নকরণের কাজ সম্পন্ন করতে হয়। এই দলের সদস্যরা হলেন- এস এম আনিসুল আশেকিন উনাইছ, মেহরাব হোসেন খান, মোহাম্মদ রাশিদুর রহমান সালমান ও আসহাব বিন ফারুক।
বিজয়ী দলের সদস্য মুহতাসিমুল বারি চুয়েটনিউজ২৪ কে বলেন, প্রতিযোগিতায় বেশ চ্যালেঞ্জিং একটা কাজ দেয়া হয়। আমরা আমাদের সেরাটা দিয়ে কাজটি নির্ধারিত সময়ে শেষ করি। আলহামদুলিল্লাহ, বেশ কয়টি বিশ্ববিদ্যালয়ের সেরা দলগুলোর সাথে প্রতিযোগিতার মধ্যে আমরা প্রথম স্থান লাভ করতে সক্ষম হয়। চুয়েট ক্যাড সোসাইটি, টিম ব্লিটজার ও অন্যান্য সহযোগীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই। পাশাপাশি ভবিষ্যতে এ ধারা অব্যাহত রাখার আশাবাদ ব্যক্ত করি।
এস এম আনিসুল আশেকিন উনাইছ তার অভিজ্ঞতা ব্যক্ত করে বলেন, এই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে আমরা দারুণ একটি অভিজ্ঞতা অর্জন করেছি। পুরো ইভেন্টটি অত্যন্ত সুন্দর ও পেশাদারভাবে আয়োজন করা হয়েছিল। আমরা আমাদের সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছি ভালো কিছু উপস্থাপন করার জন্য। প্রতিযোগিতায় অনেক অভিজ্ঞ ও দক্ষ প্রতিযোগীরাও অংশ নিয়েছিলেন। তাদের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে আমরা যে ভালোভাবে পারফর্ম করতে পেরেছি, তা আমাদের ‘টিম ব্লিটজার চুয়েট’-এর জন্য একটি বড় অর্জন বলে মনে করি।