শূন্য আসনে চুয়েটে দ্বিতীয় ধাপের ভর্তি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ

চুয়েটনিউজ২৪ ডেস্ক:

চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক প্রথম বর্ষের দ্বিতীয় পর্যায়ের ভর্তি কার্যক্রমের সময়সূচি প্রকাশ করা হয়েছে। আগামী ১০ মার্চ (মঙ্গলবার) থেকে এই পর্যায়ের ভর্তি প্রক্রিয়া শুরু হবে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের জারি করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

​বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, নির্ধারিত মেধাক্রমের প্রার্থীদের সনদপত্র যাচাই ও স্বাস্থ্য পরীক্ষা আগামী ১০ মার্চ সকাল ৯:৩০ থেকে বিকেল ৩:৩০ পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে। এই ধাপে ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগসমূহ এবং নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগে মেধাক্রম ১২৫১ থেকে ২৫০০ এবং স্থাপত্য বিভাগে মেধাক্রম ৭৬ থেকে ১২৫ পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের ডাকা হয়েছে।

এছাড়া সংরক্ষিত আসনে পার্বত্য চট্টগ্রাম ও অন্যান্য জেলার ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী (উপজাতি) থেকে মেধাক্রম ১১-২০ এবং রাখাইন সম্প্রদায়ের মেধাক্রম ০২-এ থাকা প্রার্থীরা ভর্তির সুযোগ পাবেন।

ভর্তির জন্য শিক্ষার্থীদের এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার মূল সনদপত্র ও ট্রান্সক্রিপ্ট, এইচএসসি রেজিস্ট্রেশন কার্ড, প্রশংসাপত্র, দুই কপি পাসপোর্ট সাইজের রঙিন ছবি এবং ভর্তি পরীক্ষার প্রবেশপত্র সঙ্গে আনতে হবে। সংরক্ষিত কোটায় নির্বাচিত প্রার্থীদের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রত্যয়নপত্র জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক। একই সঙ্গে প্রত্যেককে স্বীকৃত ডায়াগনস্টিক সেন্টার থেকে প্রাপ্ত রক্তের গ্রুপ পরীক্ষার প্রতিবেদন আনতে হবে। স্বাস্থ্য পরীক্ষার সময় চশমা ব্যবহারকারী শিক্ষার্থীদের চশমা সঙ্গে রাখতে বলা হয়েছে।সনদপত্র যাচাই ও স্বাস্থ্য পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের আগামী ১১ মার্চ বিকেল ৩টার মধ্যে সোনালী ব্যাংক, চুয়েট শাখায় ভর্তি ফি বাবদ ১৮ হাজার ৫০০ টাকা জমা দিতে হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ফি পরিশোধ না করলে ভর্তি বাতিল বলে গণ্য হবে।

বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ভর্তিচ্ছুদের অবশ্যই ভর্তি সংক্রান্ত ওয়েবসাইট থেকে ‘অনলাইন চয়েস ফরম’ ও প্রয়োজনীয় অন্যান্য ফরম ডাউনলোড করে প্রিন্টসহ উপস্থিত থাকতে হবে। ভর্তি সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট ও নোটিশ বোর্ডে পাওয়া যাবে। নির্ধারিত তারিখে কেউ উপস্থিত হতে ব্যর্থ হলে তার ভর্তির যোগ্যতা বাতিল বলে গণ্য হবে।

এর আগে, ২৫ ফেব্রুয়ারি (বুধবার) প্রথম পর্যায়ের ভর্তি কার্যক্রম শুরু হয়।প্রথম পর্যায়ের ভর্তি শেষে ৬০৫ টি আসন ফাঁকা রয়েছে,যা মোট আসনের (৯২০ টি) প্রায় ৬৬ শতাংশ।