চুয়েটে তৃতীয় পর্যায়ের ভর্তি ৮ এপ্রিল, আসন ফাঁকা ১৩৩ টি

অনুরাশা রাফানাঃ

চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) ২০২৫–২৬ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক প্রথম বর্ষের তৃতীয় পর্যায়ের ভর্তি কার্যক্রম আগামী ৮ এপ্রিল অনুষ্ঠিত হবে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের জারি করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, নির্ধারিত মেধাক্রমধারী শিক্ষার্থীদের সনদপত্র যাচাই ও স্বাস্থ্য পরীক্ষা আগামী ৮ এপ্রিল (বুধবার) সকাল সাড়ে ৯টা থেকে বিকাল সাড়ে ৩টা পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে। এই ধাপে ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগসমূহ এবং নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগে মূল মেধাতালিকার ২,৫০১ থেকে ৩,০০০ পর্যন্ত মেধাক্রমধারী শিক্ষার্থীদের নিরীক্ষা বোর্ডে উপস্থিত থাকতে বলা হয়েছে। উপস্থিত প্রার্থীদের মধ্যে আসন শূন্য থাকা সাপেক্ষে মেধাক্রম অনুযায়ী ভর্তি সম্পন্ন করা হবে। উপস্থিত প্রার্থীর সংখ্যা শূন্য আসনের চেয়ে বেশি হলে মেধাক্রম অনুসারে একটি অপেক্ষমান তালিকা সংরক্ষণ করা হবে।

এর আগে, ভর্তি পরীক্ষার মেধাতালিকা থেকে প্রথম পর্যায়ে ২৫ ফেব্রুয়ারি এবং দ্বিতীয় পর্যায়ে ১০ মার্চ ভর্তি কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়। তবে দুই ধাপের ভর্তি শেষে বিভিন্ন বিভাগে কিছু আসন শূন্য থাকায় তৃতীয় পর্যায়ে ভর্তির জন্য নতুন করে শিক্ষার্থীদের ডাকা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানায়, অন্তর্ভুক্ত মেধাক্রমধারী প্রার্থীদের ভর্তি কার্যক্রম সম্পন্ন করতে https://admissioncuet.ac.bd
ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে লগইন করতে হবে। সেখানে পূর্বে পূরণকৃত অনলাইন চয়েজ ফরম এবং ড্যাশবোর্ডে নির্দেশিত অন্যান্য প্রয়োজনীয় ফরম ডাউনলোড করে পূরণপূর্বক প্রিন্টেড কপি ভর্তির সময় সঙ্গে আনতে হবে। তবে কোনো প্রার্থী আগে অনলাইন চয়েজ ফরম পূরণ না করে থাকলে ভর্তির দিন তা পূরণের সুযোগ রাখা হয়েছে। নিরীক্ষা বোর্ডের মাধ্যমে প্রার্থীদের সনদপত্র যাচাই করে জমা নেওয়ার পর তাদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা সম্পন্ন করা হবে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়েছে, পরদিন ৯ এপ্রিল সকালে প্রাপ্ত বিভাগ দেখে নির্ধারিত ভর্তি ফি ১৮ হাজার ৫০০ টাকা সোনালী ব্যাংক, চুয়েট শাখায় বিকাল ৩টার মধ্যে জমা দিয়ে ভর্তি নিশ্চিত করতে হবে। তবে কোনো প্রার্থী স্বাস্থ্য পরীক্ষা শেষে একই দিনেও কর্তৃপক্ষের অনুমতি সাপেক্ষে ব্যাংকে ফি জমা দিতে পারবে।

ভর্তির সময় শিক্ষার্থীদের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার মূল সনদপত্র ও ট্রান্সক্রিপ্ট, এইচএসসি রেজিস্ট্রেশন কার্ড, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধান কর্তৃক প্রদত্ত প্রশংসাপত্র, সদ্য তোলা দুই কপি পাসপোর্ট সাইজের রঙিন ছবি এবং ভর্তি পরীক্ষার প্রবেশপত্র সঙ্গে আনতে হবে। পাশাপাশি প্রত্যেককে স্বীকৃত ডায়াগনস্টিক সেন্টার থেকে প্রাপ্ত রক্তের গ্রুপ পরীক্ষার প্রতিবেদন সঙ্গে আনতে হবে।

বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তৃতীয় পর্যায়ের ভর্তি শেষে ভর্তিকৃত শিক্ষার্থীদের প্রাপ্ত বিভাগ ও শূন্য আসনের সংখ্যা আগামী ১২ এপ্রিলের মধ্যে ভর্তি পরীক্ষার ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে। আসন খালি থাকা সাপেক্ষে ওরিয়েন্টেশনের দিন পর্যন্ত ভর্তি কার্যক্রম চলমান থাকবে।