জলবায়ু ও আবহাওয়া বিষয়ক প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন চুয়েট

মো. গোলাম রব্বানী

অ্যাকশন এইড এবং দ্যা ডেইলি স্টার কর্তৃক আয়োজিত ক্লাইমেট জাস্টিস আইডিয়া কনটেস্ট ২০২৩ এর এনার্জি ট্রানজিশন ক্যাটাগরিতে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের(চুয়েট) প্রতিনিধি দল সোলারজেন। নেট মিটারিং সিস্টেম টেকনলজি আবাসিক গ্রাহক পর্যায়ে বিশদভাবে আলোচনার জন্য তারা প্রথম স্থান অর্জন করেন।

প্রতিনিধি দলের সদস্যরা হলেন তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক কৌশল বিভাগের ৪র্থ বর্ষের শিক্ষার্থী মোহাম্মদ ইফতেখার ইবনে জালাল, ৩য় বর্ষের জয়ন্ত দাশ জয় এবং যন্ত্রকৌশল বিভাগের ৪র্থ বর্ষের শিক্ষার্থী মো. জুবাইর উদ্দিন জিদান।

‘নেট মিটারিং সিস্টেম টেকনলজি’ আইডিয়াটি দেশের আবাসিক পর্যায়ের গ্রাহকদের জন্য কীভাবে ডিজাইন করা যায় সেটি নিয়েই কাজ করেছে সোলারজেন। এদিকে বাংলাদেশে নেট মিটারিং সিস্টেম শুধুমাত্র থ্রি-ফেইজ অর্থাৎ সাধারণত বাণিজ্যিক পর্যায়ের গ্রাহকদের জন্য বরাদ্দ দেয়া হয়ে থাকে।

প্রতিযোগিতায় দুটি ভিন্ন বাণিজ্যিক মডেলে অপারেট করার মাধ্যমে টিম সোলারজেন প্রান্তিক পর্যায় এবং একইসাথে শহর অঞ্চলের গ্রাহকদের জন্য এই টেকনোলজিটি সহজলভ্য করার প্রস্তাবনা প্রদান করে সোলাজেন। মডেল দুটি হলো সরকার প্রদত্ত ক্যাপেক্স এবং ওপেক্স যেখানে সোলারজেন তাদের নিজ গবেষনার মাধ্যমে কিছুটা পরিবর্তন আনে।

প্রথমটি ক্যাপিটাল এক্সপেন্ডিচ্যুর (ক্যাপেক্স) যেখানে প্রজেক্টে ব্যবহৃত সরঞ্জামাদির ক্রয়মূল্য থেকে শুরু করে সকল ধরণের খরচ ভোক্তা নিজে বহন করবে এবং সকল যন্ত্রাংশের মালিকানা ভোক্তার নামে লিখিত থাকবে। ২য় পদ্ধতিতে ওপেক্স (অপারেশনাল এক্সপেন্ডিচ্যুর) হলো এমন মডেল যেখানে প্রজেক্টের সকল যন্ত্রাংশের মালিকানা থাকবে সোলারজেন এর কাছে এবং সোলারজেন ও ভোক্তা প্রজেক্টে লভ্যাংশ নির্দিষ্ট হারে ভাগাভাগি করে নিতে পারবে।

প্রতিযোগিতা প্রথম স্থান অর্জনের পর সোলারজেন দলের প্রতিনিধি ইফতেখার ইবনে জালাল জানান,আমাদের দেশে নেট মিটারিং সিস্টেম শুধুমাত্র থ্রি-ফেইজ গ্রাহকদের জন্য বরাদ্দ দেয়া হয়ে থাকে। আমরা সিংগেল ফেইজ এর আবাসিক গ্রাহক (রেসিডেনশিয়াল) দের কীভাবে এড করা যায় সেই বিষয়টি নিয়ে বিশদভাবে আলোচনা তুলে ধরেছি। মুলত এটিই আমাদের প্রজেক্টের মুল লক্ষ্য ছিলো।