মো. গোলাম রব্বানীঃ
চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট), খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (কুয়েট) এবং রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (রুয়েট) সমন্বয়ে গঠিত প্রকৌশল গুচ্ছের ২০২৩-২০২৪ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক ১ম বর্ষ সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। আজ রোববার নির্ধারিত সময় সূচি অনুযায়ী তিনটি কেন্দ্রে অভিন্ন প্রশ্নপত্রে ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।
বেলা ১০টা থেকে ১২:৩০ পর্যন্ত ক বিভাগ (ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগসমূহ এবং নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগ) এর পরীক্ষা এবং খ বিভাগ (ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগসমূহ, নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগ এবং স্থাপত্য বিভাগ) একই সময়ে শুরু এবং দুপুর ১২.৩০ মিনিট থেকে মুক্ত হস্ত অংকন পরীক্ষা যা ১.৪৫ পর্যন্ত চলে। ক বিভাগে মোট ৫০০ নম্বরের নৈবর্তিক এবং খ বিভাগের জন্য মুক্তহস্ত অঙ্কনের ২০০ নম্বর সহ মোট ৭০০ নম্বরের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।

চুয়েট কেন্দ্রে ক বিভাগে ৬৯১৪ জন ও খ বিভাগে সাতশ ষোল জন সহ মোট ৭৬৩০ জন উপস্থিত হওয়ার কথা থাকলেও স্থাপত্যে ৪৭৩ জন সহ উপস্থিত পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৬১৪৪ জন যা ৮০.৫ শতাংশ। খ বিভাগে উপস্থিত ৬৬ শতাংশ ও অনুপস্থিত ২৪৩ জন। এ কেন্দ্রে অনুপস্থিত সংখ্যা ১৪৮৬ জন। এদিকে রুয়েট কেন্দ্রে ক বিভাগ হতে ৬৯৯২ জন ও খ বিভাগ হতে ৬৩০ জন সহ মোট ৭৬২২ জনের মধ্যে খ বিভাগ এ ৫০৭ জন সহ উপস্থিত হয়েছে ৬০৪৬ জন যা ৭৯.৩২ শতাংশ, অনুপস্থিত রয়েছে ১৫৭৬ জন। যার মধ্যে খ বিভাগে অনুপস্থিত ১২৩ জন। খ বিভাগে উপস্থিত ৮০.৪৭ শতাংশ। এবং কুয়েট কেন্দ্রে ৭৬১৮ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে খ বিভাগে ৫৫৪ জন সহ উপস্থিত হয়েছে ৬১৮৯ জন। অনুপস্থিত রয়েছে ১৪২৯ জন যার মধ্যে খ বিভাগের ২০৯ জন রয়েছে। কুয়েট কেন্দ্রে উপস্থিত হয়েছে ৮১.২৪ শতাংশ। খ বিভাগে উপস্থিত হয়েছে ৭২.৬১ শতাংশ। তিন কেন্দ্রে মোট সাড়ে চার হাজার ভর্তিচ্ছু পরীক্ষা দিতে আসেননি। যার মধ্যে বেশি অনুপস্থিতি রুয়েট কেন্দ্রে। কেন্দ্রীয় ভর্তি পরীক্ষা কমিটির সদস্য ও চুয়েটের পুরকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ড. সাদিকুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন। এ নিয়ে তিন বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে উপস্থিতির হার ৮০.৩৫ শতাংশ। ভর্তি পরীক্ষার জন্য গঠিত কমিটি সূত্রে জানা যায়, উপস্থিত পরীক্ষার্থীর সংখ্যা আঠারো হাজার ৩৭৮ জন। এবারের ভর্তি পরীক্ষায় মোট ৩২৩১টি আসনের বিপরীতে আবেদন করে প্রায় ২২ হাজার ৮৭১ জন।
কেন্দ্রীয় ভর্তি পরীক্ষা কমিটির সভাপতি ও চুয়েটের পুরকৌশল অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. সুদীপ কুমার পাল বলেন, আমাদের চেষ্টা ছিলো সফলভাবে পরীক্ষাটি সম্পন্ন করা। যথাযথা ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে আমরা সফল হয়েছি। পরীক্ষার্থীদের উপস্থিতি ছিলো আশানুরূপ। রুয়েট ও কুয়েট কেন্দ্রের উপস্থিতির হার তেমনই। চুয়েটে পরীক্ষা চলাকালীনে আমরা পরীক্ষার কেন্দ্রের কক্ষগুলো পরিদর্শন করেছি ও পরীক্ষার্থীদের অভিমত শুনেছি।
গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষায় এবারও সংরক্ষিত আসনসহ চুয়েটে ৯৩১ টি, কুয়েটে ১০৬৫ টি এবং রুয়েটে ১২৩৫ টি আসন রয়েছে। এবারের প্রকৌশল গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষার নেতৃত্ব দেন চুয়েট। আগামী ১৮ই মার্চ ফলাফল প্রকাশ করা হবে বলে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।