চুয়েটনিউজ২৪ ডেস্কঃ
চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (চুয়েট) ১৯ সেপ্টেম্বর উৎসবমুখর পরিবেশে ১৫ তম বিশ্ববিদ্যালয় দিবস পালিত হয়েছে। ২০০৩ সালের ১ সেপ্টেম্বর তৎকালীন বিআইটি চট্টগ্রামকে অধ্যাদেশ জারির মাধ্যমে পূর্ণাঙ্গ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তর করার পর থেকে প্রতিবছর দিনটি বিশ্ববিদ্যালয় দিবস হিসেবে পালন করছেন চুয়েটের শিক্ষার্থী-শিক্ষকেরা। কিন্তু ১ সেপ্টেম্বর ঈদুল আজহার ছুটি থাকার কারণে দিবসটি গতকাল উদযাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। দিবসটির এবারের প্রতিপাদ্য ছিল ‘মানবকল্যাণে প্রকৌশল’।
বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উপলক্ষে দিনব্যাপী নানা অনুষ্ঠানমালা আয়োজিত হয়। এর মধ্যে ছিল রক্তদান কর্মসূচী,বৃক্ষরোপণ কর্মসূচী, জাতীয় পতাকা উত্তোলন, আনন্দ শোভাযাত্রা, তথ্যচিত্র প্রদর্শন, আলোচনা সভা ও প্রীতি ফুটবল ম্যাচ । আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের সচিব সম্পদ বড়ুয়া এবং সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চুয়েটের উপাচার্য অধ্যাপক মোহাম্মদ রফিকুল আলম। বিশ্ববিদ্যালয়ের জাতীয় দিবস উদযাপন কমিটির সভাপতি অধ্যাপক মোঃ হযরত আলী সভায় সভাপতিত্ব করেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের সচিব সম্পদ বড়ুয়া বলেন, বাংলাদেশের ২০৩০ সালের মধ্যে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনে সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন প্রকৌশলীদের। সুতরাং দেশের জন্য প্রকৌশল শিক্ষার্থীদের করণীয় অনেক কিছুই আছে। তিনি আরো বলেন, চুয়েটের অগ্রযাত্রার চিত্র দেখে আমি আনন্দিত। আগামী দিনেও দেশের প্রকৌশল শিক্ষার ক্ষেত্রে চুয়েট গৌরবময় অবদান রেখে যাবে বলে আমি আশাবাদী।
আলোচনা সভায় সম্মানিত অতিথির বক্তব্যে চুয়েটের উপাচার্য অধ্যাপক মোহাম্মদ রফিকুল আলম বলেন, দেশকে এগিয়ে নিতে হলে তরুণ প্রকৌশলীদের তত্ত্বীয় জ্ঞানের পাশাপাশি ব্যবহারিক ও গবেষণালব্ধ জ্ঞানের সমন্বয় ঘটাতে হবে। চুয়েট প্রশাসন সে লক্ষ্যে সম্প্রতি একনেকে অনুমোদিত ৩২০ কোটি টাকার ডিপিপি থেকে প্রায় ১০০ কোটি টাকা গবেষণা যন্ত্রপাতি ক্রয়ের জন্য বরাদ্দ রেখেছে।
১৯/০৯/২০১৭ ইং
