চুয়েটনিউজ২৪ ডেস্কঃ
চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (চুয়েট) মাদক ক্রয়ের অভিযোগে দুই শিক্ষার্থীকে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাময়িক বহিষ্কার করেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্টুডেন্টস ডিসিপ্লিন কমিটি। আজ বৃহস্পতিবার স্টুডেন্টস ডিসিপ্লিন কমিটির ২৭০ তম (জরুরী) সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়। পাশাপাশি অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কেন শাস্তি মূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না এই মর্মে কারণ দর্শানোর নোটিশও জারি করে কর্তৃপক্ষ।
অভিযুক্ত শিক্ষার্থীদের একজন চুয়েটের পুরকৌশল বিভাগের তৃতীয় বর্ষের (২০ ব্যাচ) শিক্ষার্থী শান্ত সাহা এবং অন্যজন যন্ত্রকৌশল বিভাগের ২য় বর্ষের (২১ ব্যাচ) শিক্ষার্থী অর্ণব সাহা।
গতকাল (২৪ জানুয়ারি) রাত আনুমানিক ১০ ঘটিকা নাগাত ছাত্রকল্যাণ দপ্তরের নেতৃত্বাধীন ‘ভিজিলেন্স টিম’ অভিযুক্তদের আটক করে। চট্টগ্রাম শহর থেকে চুয়েটের উদ্দেশ্যে ছেড়ে আসা শিক্ষার্থী বহনকারী বুড়িগঙ্গা বাসে কাপ্তাই রাস্তার মাথা এলাকায় তাদেরকে মাদকসহ (গাঁজা) আটক করা হয়। অভিযুক্ত দুই শিক্ষার্থীকে আগামী ০৮ ফেব্রুয়ারীর মধ্যে কারণ দর্শানোর নোটিশের লিখিতভাবে জবাব জমা দিতে হবে। পরবর্তীতে ১১ ফেব্রুয়ারি স্টুডেন্ট ডিসিপ্লিনারি কমিটির সভায় চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহন করা হবে।
এ ঘটনার ব্যাপারে ছাত্রকল্যাণ দপ্তরের উপ-পরিচালক ড. মো. সাইফুল ইসলাম চুয়েটনিউজ২৪’কে বলেন, বিভিন্ন সোর্স এবং ইমেইলের মাধ্যমে আমরা বেশ কিছু অভিযোগ পেয়েছি। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই গতকাল আমরা ২ টি টিমে ভাগ হয়ে অভিযান চালাই। অভিযানের এক পর্যায়ে দুইজন শিক্ষার্থীর গতিবিধি সন্দেহজনক মনে হলে আমরা তাদেরকে জেরা করি। জিজ্ঞাসাবাদের এক পর্যায়ে তাদের কাছে সদ্য ক্রয়কৃত মাদক পাওয়া যায়। পরবর্তীতে আমরা তাদেরকে আটক করি ও ডিসিপ্লিনারি কমিটিকে এ ব্যাপারে অবহিত করি। চুয়েট ক্যাম্পাসকে মাদকমুক্ত করতে সাধারণ শিক্ষার্থীদের সহায়তা চেয়েছে চুয়েটের ছাত্রকল্যাণ দপ্তর। সেক্ষেত্রে যেকোনো অভিযোগ ছাত্রকল্যাণ দপ্তরের মেইল (complain.dsw@cuet.ac.bd) সরাসরি পাঠানো যাবে।
চুয়েটের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ রফিকুল আলম বলেন, মাদক ও র্যাগিং এর বিরূদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে আরো গতিশীল করতে আমরা “ভিজিলেন্স টিম” গঠন করি। মাদকের বিরুদ্ধে আমরা সবসময় জিরো টলারেন্স নীতিতে আছি। অতীতেও আমরা মাদক সংশ্লিষ্ট ঘটনায় উপযুক্ত শাস্তির প্রদান করেছিলাম।