দফায় দফায় বাড়ছে চুয়েটের হলগুলোর ডাইনিং ফি

চুয়েট নিউজ২৪ ডেস্কঃ

চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) গত নয় মাসে আবাসিক হলগুলোর ডাইনিং ফি তিন দফা বেড়েছে। এখন পর্যন্ত ১৫০০ টাকা থেকে ফি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৫০০ টাকায়। দফায় দফায় ফি বাড়ানো হলেও বাড়েনি খাবারের মান ।

আজ (১৪ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১টায় শহীদ মোহাম্মদ শাহ হলের সহকারী প্রভোস্ট স্বাক্ষরিত একটি বিজ্ঞপ্তিতে নতুন মাসের ডাইনিং ফি ২১০০ টাকা থেকে ২৫০০ টাকা করার ঘোষণা দেওয়া হয় । কোনো রকম পূর্বাভাস ছাড়া এ ফি বৃদ্ধি সাধারণ শিক্ষার্থীদের মনে ব্যপক ক্ষোভের সৃষ্টি করে।

এছাড়া গত ১২ সেপ্টেম্বর শেখ রাসেল হলের সহকারী প্রভোস্ট মোঃ আবদুর রহমান স্বাক্ষরিত একটি বিজ্ঞপ্তিতে নতুন মাসের ডাইনিং ফি ২১০০ টাকা থেকে ২৪০০ টাকা করার ঘোষণা দেওয়া হয় ।

করোনা মহামারীর কারণে বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধের আগে কয়েক বছর যাবৎ হলগুলোর ডাইনিং ফি ১৫০০ টাকা নির্ধারিত ছিল। বন্ধের পর দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি কারণ দেখিয়ে গত জানুয়ারি মাসে ডাইনিং ফির পরিমাণ বাড়িয়ে ১৮০০ টাকা করা হয়। পরের মাসে আবারও এ ফি বাড়িয়ে ২১০০ টাকা করা হয়। এরপর সর্বশেষ গত ১২ সেপ্টেম্বর শেখ রাসেল হলে এ ফি বাড়িয়ে ২৪০০ টাকা এবং আজ দুপুরে শহীদ মোহাম্মদ শাহ হলে ২৫০০ টাকা করা হয় ।

সাধারণ শিক্ষার্থীদের সাথে যোগাযোগ করে জানা যায়, করোনা মহামারির পূর্ব পর্যন্ত সকল হলে ডাইনিং ফি ১৫০০ টাকা থাকলেও চুয়েটের সব হলেই দফায় দফায় বেড়েছে ডাইনিং ফি । খাবারের দাম বাড়লেও মানের অবনতি হয়েছে অথবা কোন কোন হলে খাবারের মান একই আছে ।

বিভিন্ন হলে চলমান মাসের ডাইনিং ম্যানেজারদের সাথে যোগাযোগ করে জানা যায়, সারাদেশে যে হারে দ্রব্যমূল্যের দাম বাড়ে, চুয়েট সংলগ্ন পাহাড়তলী বাজারে তার চেয়ে বেশি বাড়ে। স্থানীয় সিন্ডিকেটের কারণে অপেক্ষাকৃত বেশি দামে খাবার কিনতে হয় । তাই বারবার ফি বাড়িয়েও দামের সাথে সামঞ্জস্য করা যাচ্ছে না।

এ বিষয়ে চুয়েটের ছাত্র কল্যাণ দপ্তরের পরিচালক অধ্যাপক রেজাউল করিম বলেন, দ্রব্যমূল্যের উদ্ধগতি এবং হলগুলোতে খাবারের মান বৃদ্ধির লক্ষ্যে ডাইনিং ফি পূর্বের তুলনায় বাড়ানো হয়েছে। আশা করছি এখন খাবারের মান আগের চেয়ে বাড়বে। শিক্ষার্থীদের কথা ভেবেই এমন সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

এছাড়া আগামী মাস থেকে চুয়েটের সকল হলে ডাইনিং ফি ২৪০০ টাকা নির্ধারন করা হবে বলেও জানান তিনি ।

উল্লেখ্য চুয়েটে হলগুলোর খাবারের জন্য কোনো ভর্তুকি দেওয়া হয় না। শিক্ষার্থীদের দেওয়া ডাইনিং ফি দিয়েই সব খরচ বহন করা হয়।