ব্রেকিং নিউজ

মুক্তিযুদ্ধের ভাস্কর্যবিহীন চুয়েট ক্যাম্পাস



চুয়েটনিউজ২৪ ডেস্ক:    

চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট) মুক্তিযুদ্ধের আগে ১৯৬৮ সালে প্রতিষ্ঠা লাভের পর ৪৮ বছর কেটে গেলেও আজও বিশ্ববিদ্যালয়টিতে নির্মিত হয়নি একটি ভাস্কর্যও।সমসাময়িক বা নব্য প্রতিষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয় গুলোতেও রয়েছে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধারনকারী অসংখ্য ভাস্কর্য অথচ ১৬৭ একর সুপরিসরের চুয়েট এতদিনেও ভাস্কর্যহীন।
ভাস্কর্য কোন সাধারন পাথুরেমূর্তি নয়এটিহলইতিহাস, ঐতিহ্য, শিল্পসংস্কৃতি ও জাতীয় চেতনারপ্রতীক। বাংলাদেশের প্রায় সব পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়েই ভাস্কর্য আছে। ভাস্কর্য গুলোর বিকাশ মূলত বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস ঘিরেই।
যেমন  ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের “অপরাজেয়বাংলা”, জাহাক্সগীরনগরের“সংশপ্তক”, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের“সাবাস বাংলাদেশ”, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের“বিজয় ৭১” প্রভৃতি ভাস্কর্যগুলো বিশ্ববিদ্যালয় গুলির প্রতীকে পরিনত হয়েছে। ক্যম্পস গুলোর শোভা বর্ধনকারী প্রগতিশীলতার প্রতীক ভাস্কর্যগুলোতুলে ধরেছে ভাষা আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধের গৌরবৈাজ্জল অধ্যায়। অথচ চুয়েটকে আলাদাভাবে তুলে ধরারমত নেই কোনভাস্কর্য।
পুরকৌশল বিভাগের চতুর্থবর্ষের শিক্ষার্থী ধ্রুব নাগ এ ব্যাপারে বলেন “ ভাবতে অবাক লাগে এত বছরেও আলাদাকরে চেনার মত একটি ভাস্কর্যও নেই চুয়েটে, চুয়েট কতৃপক্ষের সদিচ্ছার অভাব ও উদ্যোগহীনতার ফলাফল এই দীর্ঘদিনের ভাস্কর্যহীন ক্যাম্পাস”

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে চুয়েটের উপচার্য অধ্যাপক ড. মো. রফিকুল আলম চুয়েট নিউজ২৪.কম কে জানান, এল.জি.ই.ডি এর অধীনে এক কোটি টাকা সমমূল্যের একটি প্রকল্পে চুয়েটে ভাস্কর্য নির্মানের পরিকল্পনা রয়েছে।