ব্রেকিং নিউজ

প্রকৌশলীদের প্রিলি প্রস্তুতির খুঁটিনাটি

shahjahan vai 2

বাংলাদেশের বর্তমান সময়ের অন্যতম আকর্ষণীয় এবং মর্যাদাপূর্ণ চাকরী বিসিএস। বিসিএস পরীক্ষার জন্য প্রকৌশলীরা কিভাবে নিজেদের প্রস্তুত করবেন সে সম্পর্কে ধারাবাহিকভাবে লিখছেন ৩৬তম বিসিএস পরীক্ষায় প্রশাসন ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত এবং চুয়েটের পুরকৌশল বিভাগের ২০১০ ব্যাচের শিক্ষার্থী মোহাম্মদ শাহজাহান। দ্বিতীয় পর্বটি আজকে প্রকাশিত হল। বাকী দুই পর্বে প্রকৌশলীরা বিসিএস পরীক্ষার লিখিত এবং মৌখিক পরীক্ষার জন্য কিভাবে প্রস্তুতি নিবেন সে সম্পর্কে ধারণা পাবেন।

‘‘যদি বিশ্বাস থাকে অটুট এ হৃদয়ে
তবে হবে হবেই দেখা বিজয়ে’’

বিসিএস পরীক্ষার প্রথম ধাপই হলো প্রিলিমিনারি পরীক্ষা, যেখানে লক্ষাধিক প্রার্থীর সাথে প্রতিযোগিতার মাধ্যমে লিখিত পরীক্ষায় অংশগ্রহণের উপযুক্ততা অর্জন করতে হয়। প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় ভালো করার জন্য চাই চেষ্টা ও স্ট্রাটেজি। শারীরিক, মানসিক, কৌশলগত ও সময় উপযোগী প্রস্তুতি নিলে ভালো করা যায় নিশ্চিতভাবেই।
প্রিলিমিনারি পরীক্ষা ২০০ নাম্বারের যার মানবণ্টনটি নিম্নরূপঃ

বাংলা ভাষা ও সাহিত্য (৩৫), ইংরেজি ভাষা ও সাহিত্য (৩৫),বাংলাদেশ (৩০), আন্তর্জাতিক (২০), ভূগোল (১০), বিজ্ঞান (১৫), কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি (১৫), গণিত (১৫), মানসিক দক্ষতা (১৫), নৈতিকতা ও সুশাসন (১০)।

প্রকৌশলীরা গণিত, বিজ্ঞান, তথ্য প্রযুক্তি, ইংরেজি ও মানসিক দক্ষতায় বেশ দক্ষ হয়। তাই প্রথমে নিজের শক্ত ভিতের বিষয় দিয়ে প্রস্তুতি শুরু করলে প্রস্তুতিটা খুব সহজে নেয়া যায়। প্রতিদিন নিয়মিত প্রতিটা বিষয় পরিকল্পনামাপিক রুটিন করে পড়া ভালো। বিগত বছরের প্রশ্নগুলো অনুশীলন করলে প্রচুর আত্মবিশ্বাস জন্মে যা প্রস্তুতির জন্য সহায়ক। পরীক্ষার প্রশ্নপত্রটি ভাল করে বুঝে পড়ে নিজের উপর আত্ম বিশ্বাস রেখে ও ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে অংশগ্রহণ করলে বিজয় সুনিশ্চিত। সবসময় সৃষ্টিকর্তার কাছে চান যাতে ভাল কিছুই হয়। এবার প্রতিটা বিষয়ের উপর সংক্ষিপ্ত আলোকপাত করছি।

বাংলা ভাষা ও সাহিত্য (৩৫)[ভাষা-১৫, সাহিত্য-২০]

ভাষা অংশের জন্য প্রতিটা টপিকের উপর স্পষ্ট ও যথার্থ ধারণা থাকতে হবে। বুঝে পড়লে এ অংশে ভাল নাম্বার পাওয়া সম্ভব। বিশেষ করে বর্ণ, শব্দ, পদ, বাক্য, সন্ধি, সমাস, বানান, বাক্য শুদ্ধি, প্রয়োগ-অপ্রয়োগ, পরিভাষা টপিকগুলো ভালো করে পড়া উচিত। সহায়ক হিসেবে নবম-দশম শ্রেণীর বোর্ড ব্যাকরণ বই, ড. হায়াৎ মাহমুদ স্যারের উচ্চ মাধ্যমিক ব্যাকরণ অনুসরণ করা যেতে পারে।

সাহিত্য অংশে প্রাচীন ও মধ্যযুগ থেকে ৫ নাম্বার এবং আধুনিক যুগ থেকে ১৫ নাম্বারের প্রশ্ন হয়ে থাকে। প্রাচীন ও মধ্যযুগের সাহিত্যের পরিধি কম বলে ভালো করা তুলনামূলক সহজ। আধুনিক যুগের জন্য একটু কৌশলী হয়ে পড়া উচিত। সাহিত্যিক বিভিন্ন ক্ষেত্রে সাহিত্যকর্ম গুলো আলাদা আলাদা করে গুছিয়ে পড়লে বেশ কাজে দিবে। যেমন- উপন্যাস, নাটক, প্রবন্ধ, গল্প, রম্য রচনা কবিতা, প্রহসন, মহাকাব্যগ্রন্থ, আত্মজীবনী, অনুবাদগ্রন্থ, গান, অভিধান,চলচ্চিত্র, বিখ্যাত চরিত্র প্রভৃতি।

PSC যে সকল কবি সাহিত্যিক থেকে বেশি প্রশ্ন করে থাকে। যেমন- PSC পুরাতন সিলেবাসের ১১ জন সাহিত্যিক (বঙ্কিমচন্দ্র, ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর, মধুসূদন, দীনবন্ধু, কায়কোবাদ, মীর মোশাররফ, বেগম রোকেয়া, রবীন্দ্রনাথ, কাজী নজরুল, ফররুখ, জসিম উদ্দিন)। পঞ্চপান্ডবদের সাহিত্যকর্ম, তিন বন্দোপাধ্যায় (মানিক,বিভূতিভূষণ তারাশঙ্কর), ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত, শরৎচন্দ্র, প্রমথ চৌধুরী, ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ, আবুল মনসুর আহমেদ, মুনীর চৌধুরী, জহির রায়হান, সুফিয়া কামাল,আহম্মদ ছফা, সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ, আখতারুজ্জামান ইলিয়াস, সেলিম আল দীন, সৈয়দ মুজতবা আলী, শামসুর রহমান, আল মাহমুদ, সেলিনা হোসেন, হুমায়ুন আহমেদ, নির্মলেন্দু গুণ সহ অন্যান্য বিখ্যাত সাহিত্যিক এর গুরুত্বপূর্ণ তথ্যগুলো নোট করে বেশি বেশি পড়তে হবে এবং রিভিশন দিতে হবে।

এছাড়াও বাংলা একাডেমী প্রণীত বিভিন্ন সাহিত্যকর্ম, ভাষা আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক রচনা,পুরস্কার, বিভিন্ন পত্রিকার সম্পাদক ও সময়কাল, সাহিত্যিকদের ছদ্মনাম, সাম্প্রতিক আলোচিত ও সমালোচিত বই সমূহ গুরুত্ব সহকারে দেখতে হবে।সহায়ক হিসেবে ড. মাহবুবুল আলমের বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, ড.সৌমিত্র শেখর এর সাহিত্য জিজ্ঞাসা,হুমায়ুন আজাদের লাল-নীল দীপাবলী, উইকিপিডিয়া অনুসরণ করা ভালো।

ইংরেজি ভাষা এবং সাহিত্য (৩৫)[ ভাষা-১৫, সাহিত্য-২০]

ভাষা অংশের জন্য পূর্বে পঠিত কোনো ভাল বই থেকে টপিকগুলো বুঝে বুঝে পড়ে নিতে হবে। বিশেষ করে Identification of Parts of Speech, Idioms & Phrases, Corrections, Spellings, Clauses, Group verbs, Preposition, Adjective, Transformations, Voice, Narration, Tense অংশগুলো বেশি জোর দেওয়া। Antonym, Synonym, Word meaning অনেক বিস্তৃত, তাই সময় বেশি ব্যয় না করে উপযুক্ত প্রস্তুতি নিলে ভালো। সহায়ক হিসেবে কোন গ্রামার বই (wren & martin/P.C Das/Eastwood), T.J Fitikides এর Common Mistakes, English for Competive Exam বই দেখতে পারেন। এ অংশে ভালো করার জন্য নিয়মিত অনুশীলন খুব জরুরি।নিয়মিত ইংরেজি কোন পত্রিকা থেকে Editorial অংশের Word গুলো চর্চা করলে পরবর্তীতে বেশ কাজে দিবে।

সাহিত্য অংশের জন্য কৌশলী হয়ে পড়লে বেশ ভালো করা সম্ভব।প্রথমে ইংরেজি সাহিত্যের যুগ বিভাগ ও কবিদের নাম নোট করে পড়ে নিন।পরবর্তীতে গুরুত্বপূর্ণ Literary terms, Noble laureats, Romantic, Elizabethian, Victorian, Commonwealth যুগের কবিদের সাহিত্যকর্ম গুলো দেখে নিতে পারেন। পরবর্তীতে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ উক্তি ও জাতীয় কবিদের সাহিত্যকর্ম গুলো পড়ুন। বিশেষ করে William Shakespeare, Charles Dickens, Wordsworth, G.B Shaw, T.S Eliot, Earnest Hemingway, Marlowe, Francis Bacon, John Milton, Alexander Pope, Chaucer, George Eliot, Robert Browning, D.H Lawrence, Bertrand Russell, P.S Buck, P.B Shelly, Tennyson, Dr. Samuel Johnson, Roger Bacon, Jonathan Swift, O Henry, Abdul Kalam, H G Wells, Sheikh Mujibur Rahman বেশি করে রিভিশন দিতে পারেন।

সহায়ক হিসেবে ইন্টারনেট থেকে সার্চ দিয়ে দেখতে পারেন। A Handbook on English Literature বই অনুসরণ করতে পারেন। বেশি বেশি Practice করলে এ অংশে ভালো নাম্বার অর্জন করা যায়। প্রথম ও শেষ সাহিত্যকর্ম, জনক, কোন ধরনের রচনা এ ধরনের প্রশ্ন ও অনুশীলন করলে বেশ ভালো। বেশি তথ্যবহুল না পড়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্যগুলো পড়া ও আত্মস্থ করার অভ্যাস গড়ে তুলুন।

বাংলাদেশ বিষয়াবলী (৩০)

বাংলাদেশ বিষয়াবলীতে ভালো করার জন্য প্রতিটা টপিকের উপর স্পষ্ট ও ঠিক ধারনা থাকা জরুরি। প্রতিটা টপিকের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য গুলো নোট করে পড়–ন। বিশেষ করে জাতীয় বিষয়াবলী ১৯৪৭ থেকে ১৯৭১ সালের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য গুলো, মুক্তিযুদ্ধ, সংবিধান, অর্থনীতি, পররাষ্টনীতি, কৃষি,স্বল্প,সরকার ব্যবস্থা, জাতীয় অর্জন, গুরুত্বপূর্ণ পুরস্কার, বিখ্যাত ব্যক্তিত্ব, স্থাপত্য,গণমাধ্যম, প্রতিষ্ঠান, উপজাতি, মানচিত্র, সদস্যপদ লাভ, খেলাধুলার বিষয়গুলো বেশি বেশি চর্চা করা উচিত। সহায়ক হিসেবে জাতীয় তথ্য বাতায়ন, উইকিপিডিয়া,গুগল, অর্থনৈতিক সমীক্ষা, ৯ম- ১০ম শ্রেণীর বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় এবং ইতিহাস, বাংলা পিডিয়া, বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটি সম্পাদিত বইগুলো অনুসরণ করা ভালো।

বেশি তথ্য বহুল না পড়ে যে বিষয়গুলো পড়া উচিত সেগুলো বারবার রিভিশন দেওয়া ভালো। এছাড়াও ঐতিহাসিক ঘটনাগুলো ( সিপাহী বিদ্রোহ, মাৎস্যন্যায়, নীল বিদ্রোহ, বিভিন্ন যুদ্ধ), গুরুত্বপূর্ণ শাসনামল ও শাসকগণ, ইষ্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি, বঙ্গভঙ্গ, বেঙ্গল প্যাক্ট, লাহোর প্রস্তাব সম্পর্কে ধারনা রাখা ভালো।

আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (২০)

আন্তর্জাতিক বিষয়াবলীতে ও প্রতিটা টপিক সম্পর্ক ঠিক ধারনা থাকা জরুরি। এ অংশে ভালো করার জন্য বৈশ্বিক ঐতিহাসিক গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাগুলো, বিভিন্ন বিপ্লব,স্নায়ুযুদ্ধ,ভূ-রাজনীতি, পরিবেশগত বিভিন্ন ইস্যু ও সম্মেলন, আন্তর্জাতিক গুরুত্বপূর্ণ সংগঠন ও অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠানাদি [UN, WB, ADB, ASEAN, OIC,G-7, NAM, NATO, BRICS, NDB, AIIB,REDCROSS, Amnesty, EU, GCC, SAARC, BIMSTEC] গুরুত্বপূর্ণ। বৈশ্বিক সমস্যা [ আরব বসন্ত, মধ্যপ্রাচ্য, দক্ষিণ চীন সাগর, কাশ্মীর, পরমাণু সমস্যা, জাতিগত দ্বন্দ , রোহিঙ্গা সমস্যা, শরণার্থী সমস্যা], বিখ্যাত ব্যক্তিত্ব, সীমারেখা, বিখ্যাত স্থাপনা ও প্রতিষ্ঠান, উৎপাদন, আমদানি, রপ্তানি, গুরুত্বপূর্ণ স্থান, খেলাধুলা, সমসাময়িক ঘটনাগুলো বেশি বেশি জানা দরকার।

এজন্য ড. তারেক শামসুর রহমানের বিশ্ব রাজনীতির ১০০ বছর বই, ড. হাবিবুর রহমানের আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী, Google/Atlas Map, গুরুত্বপূর্ণ কিছু পত্রিকা (New York Times, BBC, রয়টার্স,সিনহুয়া) অনুসরণ করতে পারেন।

ভূগোল (বাংলাদেশ ও বিশ্ব-১০)

ভূগোল অংশের জন্য তুলনামূলক কম সময়ে ভালো প্রস্তুতি নেয়া সম্ভব। সিলেবাসের টপিকগুলোর উপর ভালো ধারণা রেখে প্রস্তুতিটা ৯ম-১০ম শ্রেণির মাধ্যমিক ভূগোল ও Google এর সহায়তা নিয়ে করলে বেশ ভালো হয়।

সাধারণ বিজ্ঞান (১৫) [ভৌতবিজ্ঞান- ৫, জীববিজ্ঞান-৫, আধুনিক-৫]

সাধারণ বিজ্ঞান অংশটি প্রকৌশলীদের জন্য প্রস্তুতি নেয়া তুলনামূলক সহজ। প্রতিটা টপিকের উপর মৌলিক ধারণাগুলো থাকলে ভালো নাম্বার পাওয়া সম্ভব। এজন্য ৯ম-১০ম শ্রেণির সাধারণ বিজ্ঞান, পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন বিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান থেকে টপিকগুলো পড়ে নিলে ভালো ধারনা পাবেন। আধুনিক বিজ্ঞান অংশের জন্য উচ্চ মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান ও Google এর সহায়তা নিলে ভালো প্রস্তুতি নেয়া সম্ভব। এছাড়া ও গুরুত্বপূর্ণ বিজ্ঞানী ও তাদের অবদান, বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ আবিষ্কার, বিভিন্ন পরিমাপক যন্ত্র সম্পর্কে স্পষ্ট ধারনা রাখা ভালো।

কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি (১৫)[কম্পিউটার (১০) + তথ্য প্রযুক্তি (৫)]

কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি অংশটি ও প্রকৌশলীদের জন্য প্রস্তুতিটা তুলনামূলক সহজ। এ অংশে ভালো করার জন্য সিলেবাসের টপিকগুলো উচ্চ মাধ্যমিক কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি- মুজিবুর রহমান ও ইন্টারনেট থেকে পড়ে নিলে ভালো প্রস্তুতি হয়ে যায়।

গাণিতিক যুক্তি (১৫)

গণিত বিষয়টি প্রকৌশলীদের মনের সাথে জড়িত। এ অংশের প্রস্তুতিটা সিলেবাসের টপিকগুলো অনুযায়ী নিলে পূর্ণ নাম্বার পাওয়া সহজ। এজন্য মাধ্যমিক গণিত (৮ম,৯ম-১০ম) উচ্চতর গণিত সহায়ক হিসেবে দেখা যেতে পারে। মৌলিক সমস্যা গুলো বেশি বেশি চর্চা করার মাধ্যমে বেশ ভালো করা সম্ভব।

মানসিক দক্ষতা (১৫)

মানসিক দক্ষতা বিষয়টির সাথে সব বিষয়ের মোটামুটি আন্ত: সম্পর্ক আছে। সিলেবাসের টপিকগুলো বেশি বেশি চর্চা করলে ভালো করা যায়। বিগত বছরের প্রশ্নগুলো সলভ করলে এবং ইন্টারনেট থেকে MCQ চর্চা করলে প্রস্তুতি বেশ ভালো হয়।

নৈতিকতা, মূল্যবোধ ও শাসন (১০)

এ বিষয়টি সহজ হয়েও বেশ কঠিনই মনে হয়। মৌলিক বিষয়টি জেনে প্রস্তুতি নেয়া ভালো। এজন্য ড. মোজাম্মেল হকের পৌরনীতি ও সুশাসন বইটি পড়তে পারেন।

এই লেখার বক্তব্যগুলো আমার ব্যক্তিগত মতামত। কোন ভুলত্রুটি পরিলক্ষিত হলে গঠনমূলক সমালোচনা করলে কৃতার্থ হব। লেখাটি শুধুমাত্র বিসিএস আগ্রহী প্রকৌশলীদের জন্য।পরবর্তী লেখায় আপনারা লিখিত পরীক্ষার জন্য কিভাবে প্রস্তুতি নিবেন সে সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করব। ততদিন পর্যন্ত ভাল থাকুন। সৃষ্টিকর্তার কাছে সবার উত্তরোত্তর সাফল্য ও দোয়া কামনা করছি।

তারিখঃ ০৯/১২/২০১৭ ইং