ব্রেকিং নিউজ

চুয়েটে হাল্ট প্রাইজ-২০২০ আসরের প্রথম ওয়ার্কশপ অনুষ্ঠিত

কনটেস্টের বিজয়ীরা

চুয়েটনিউজ২৪ডেস্ক:

চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (চুয়েট) হাল্ট প্রাইজ – ২০২০ এর প্রথম ওয়ার্কশপ অনলাইনে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

০১ সেপ্টেম্বর “টকিং হাল্ট উইথ চুয়েটিয়ান্স” শীর্ষক ওয়ার্কশপে অংশগ্রহনের জন্য ২৫০ জনেরও অধিক চুয়েটিয়ান রেজিস্ট্রেশন করে। জুম অ্যাপে অনুষ্ঠিত
এই ওয়ার্কশপে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চুয়েটের ছাত্রকল্যাণ পরিষদের পরিচালক অধ্যাপক ড. মশিউল হক এবং চুয়েট যন্ত্রকৌশল অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. জামাল উদ্দিন আহমেদ।

ওয়ার্কশপটি পরিচালনা করেন হাল্ট প্রাইজের এবারের আসরের ক্যাম্পাস ডিরেক্টর চুয়েট যন্ত্রকৌশল বিভাগের শিক্ষার্থী শিহাব আর-রাসাদ।

হাল্ট প্রাইজ ফাউন্ডেশনের প্রধান কার্যনির্বাহক আহমেদ আশকারের একটি পরিচিতিমুলক ভিডিও প্রদর্শনের মাধ্যমে ওয়েবিনারটি আরম্ভ হয়ে একে একে শিক্ষকগণ তাদের মুল্যবান বক্তব্যের মাধ্যমে হাল্ট প্রাইজের সাথে শিক্ষার্থীদের পরিচয় করিয়ে দেন এবং ভবিষ্যৎ ক্যারিয়ার গঠনে এর তাৎপর্য সম্পর্কে বলেন। শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে অধ্যাপক ড. মশিউল হক বলেন ‘সৃষ্টিশীলতা আর নতুনত্বের ক্ষেত্রে ইঞ্জিনিয়ারদের অংশগ্রহন বলা বাহুল্য। তারা যত বেশি এসব প্রতিযোগিতার মাধ্যমে তাদের উদ্ভাবনী আইডিয়াগুলোকে উপস্থাপন করবে তত বেশি তারা দেশের জন্য, বিশ্বের জন্য নিত্যনতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করবে। ইন্ডাস্ট্রিয়াল রেভোলিউশন-৪.০ এর এই সময়টাতে এসে শিক্ষার্থীরা তাদের নিজেদের উদ্যোক্তা হিসেবে প্রস্তত করার এখনই মুখ্য সময়।’

পরবর্তীতে অধ্যাপক ড. জামাল উদ্দীন আহমেদ উল্লেখ করেন, “ভাবনার কোন শেষ নেই। মানুষের একেরজনের ইচ্ছা চাহিদা অনুযায়ী নিত্যনতুন উদ্ভাবন এর মাধ্যমে প্রত্যেকের চাহিদা পূরণ করা এবং নতুন ব্যাবসায়িক দ্বার উন্মোচন সম্ভব।”

ওয়ার্কশপটিতে চুয়েট হাল্ট প্রাইজের ক্যাম্পাস ডিরেক্টর শিহাব আর রাসাদ ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা ও মাস্টারপ্ল্যান নিয়ে কথা বলেন। তিনি হাল্ট প্রাইজের পক্ষ থেকে চুয়েটিয়ানদের জন্য প্রতি সপ্তাহে ১০ ডলার প্রাইজমানি বিশিষ্ট আইডিয়া কন্টেস্ট আয়োজনের ঘোষণা দেন এবং একই প্রাইজমানির একটি সারপ্রাইজ আইডিয়া কন্টেস্ট আয়োজনের মাধ্যমে চুয়েট হাল্ট প্রাইজের প্রথম ওয়ার্কশপের সমাপ্তি ঘটে।

প্রসঙ্গত ‘নোবেল প্রাইজ ফর স্টুডেন্টস’ নামে পরিচিত হাল্ট প্রাইজ হল একটি বছরব্যাপী আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতা যেটি মুলত বিশ্ববিদ্যালয়গামী তরুণ উদ্যোক্তাদের জন্য একটি অনবদ্য প্লাটফর্ম। শিক্ষার্থীরা তাদের সৃষ্টিশীল চিন্তাশক্তির মাধ্যমে এমন একটি ব্যাবসায়িক মডেল প্রস্তাব করে যা বিশ্বে চলমান কোন সমস্যার সমাধান এনে দেয় এবং প্রতিযোগিতা শেষে শ্রেষ্ঠ দলকে তাদের এন্টারপ্রাইজ বাস্তবায়ন করার জন্য হাল্ট প্রাইজ ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে ১ মিলিয়ন ডলার প্রদান করা হয়।