ব্রেকিং নিউজ

চুয়েটে বিজয়ে দিবসে উদ্বোধন হলো স্বাধীনতা ভাস্কর্য এবং শেখ রাসেল হল

চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে( চুয়েট) মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশের গৌরবজ্জ্বল বিজয় ও ইতিহাসকে স্মরণীয় করে রাখতে স্থাপিত হলো ‘স্বাধীনতা ভাস্কর্য’ এবং একইদিনে উদ্ধোধন করা হল জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পুত্রের নামে নামকৃত ‘শেখ রাসেল হল ‘।

অদ্য ১৬ই ডিসেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়ের গোলচত্বরে অবস্থিত ভাস্কর্যটি এবং কেন্দ্রীয় খেলার মাঠের দক্ষিণ-পশ্চিম পার্শ্বে অবস্থিত হলটির উদ্ধোধন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ রফিকুল আলম।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন স্থাপত্য ও পরিকল্পনা অনুষদের ডীন অধ্যাপক ড. সাইফুল ইসলাম ,যন্ত্রকৌশল বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ড.জামাল উদ্দীন আহমেদ,পরিকল্পনা ও উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের পরিচালক ড. সুদীপ কুমার পাল, পুরকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. হযরত আলী, অধ্যাপক ড. জি এম সাদিকুল ইসলামসহ প্রমুখ।

ভাস্করটি নির্মাণ ও তত্ত্বাবধানে ছিলেন ভাস্কর শুভাশীষ দাশ, স্থপতি সজল চৌধুরী ও স্থপতি নুসরাত জান্নাত। সহকারী ভাস্কর হিসেবে ছিলেন জয়াশীষ আচার্য ও তপন ঘোষ।

ভাস্কর শুভাশীষ দাশ বলেন, চুয়েটে আসার শুরুলগ্ন থেকেই আমার একটা ভাবনা ছিল চুয়েটের গোল চত্বরে একটা ভাস্কর্য হওয়া উচিত এবং আজ সেটা পূর্ণ হলো। আমি আশা রাখি এর মধ্য দিয়ে চুয়েটের সবাই স্বাধীনতার চেতনায় নিজেকে উদ্বুদ্ধ করতে পারবে।
এর আগে চুয়েট শহীদ মিনারের পাশে আয়োজিত ৪৮তম মহান বিজয় দিবস উদযাপন উপলক্ষ্যে এক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।

এতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ রফিকুল আলম বলেন, ডিসেম্বর বাঙালির গৌরবের মাস, অহংকারের মাস। বাংলাদেশের বিজয়ের পর ১৯৭২ সালে দেশে ফিরে বঙ্গবন্ধু দেশ গড়ার কাজে মনোযোগ দেন। কিন্তু পঁচাত্তরে স্ব-পরিবারে বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করে ঘাতকরা সেই পথ আগলে ধরে। তবুও আমরা পিছিয়ে পড়িনি। নানা চড়াই-উৎরাই পেরিয়ে বঙ্গবন্ধুর রক্ত তাঁর সুযোগ্য কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নকে বৃথা যেতে দেন নি।

উল্লেখ্য ৫তলা বিশিষ্ট এই হলে ১২৬ টি আবাসিক কক্ষ যেখানে বর্তমানে ৫৩০ জন ছাত্রের আসন বরাদ্দকৃত রয়েছে। তাছাড়াও রয়েছে ২৫০ ছাত্র ধারণকৃত ডায়নিং রুম, সুবিশাল টিভিরুম,ইবাদাত কক্ষ এবং নান্দনিক আকর্ষিত একটি পাঠাগার।

আতাহার মাসুম তারিফ