ব্রেকিং নিউজ

চুয়েটে ঝুঁকিপূর্ণ বৈদ্যুতিক খুঁটি ও সরবরাহ লাইন: যেকোনো সময় দুর্ঘটনার আশঙ্কা

pixlr_20160720144804718

চুয়েটনিউজ২৪ ডেস্কঃ

সরবরাহ চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) সাব স্টেশন সংলগ্ন রাস্তার বিপরীত পাশে মাটির কয়েক ফুট উপর দিয়ে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ ভাবে গাছ এবং বাঁশের উপর দিয়ে ঝুলে আছে ৪০০ কেভির বিদ্যুৎ সরবরাহ লাইন। এছাড়া ড. কুদরত-ই-খুদা হলের সামনে জীবন্ত গাছকে ব্যবহার করা হচ্ছে বৈদ্যুতিক খুঁটি হিসেবে। ফলে সামান্য অসাবধানতায় প্রাণহানি সহ ঘটে যেতে পারে নানা ধরণের দুর্ঘটনা ।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকৌশল দপ্তর সূত্রে জানা যায় , চুয়েটের তৃতীয় সমাবর্তনের সময় হেলিকপ্টার উঠানামার ঝুঁকির কথা চিন্তা করে অপসারণ করা হয় সরবরাহ লাইনের খুঁটিগুলো । তখন থেকেই কোনরকমে বাঁশ এবং গাছের সাথে তার ঝুলিয়ে বিদ্যুৎ সরবরাহের ব্যবস্থা করা হচ্ছে । তাছাড়া ড. কুদরত-ই-খুদা হলের সামনের খুঁটি দুটি নষ্ট হলেও ছাত্রহলটিতে বিদ্যুৎ সরবরাহ চালু রাখার জন্য জীবন্ত গাছকে খুঁটি হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে ।

সরজমিনে গিয়ে দেখা যায় , ৪০০ কেভির এই বিদ্যুৎ সরবরাহ লাইনের পাশ দিয়ে চলে গেছে চুয়েট স্কুল এবং কলেজে যাবার রাস্তা । চুয়েট কেন্দ্রীয় খেলার মাঠও উক্ত সড়ক সংলগ্ন । ফলে কিছুটা ঝুঁকির মুখে প্রতিদিন চলাচল করছে পথচারী সহ প্রায় হাজার-খানেক শিক্ষার্থী । চুয়েটের নতুন ছাত্র হলের নির্মাণ কাজ চলছে সরবরাহ লাইনটির একেবারে পাশ ঘেঁষে। ফলে এই নির্মাণ কাজে সংশ্লিষ্ট শ্রমিক,ঠিকাদার , প্রকৌশলীরাও ঝুঁকির মধ্যে কাজ করে যাচ্ছেন ।তাছাড়া ড. কুদরত-ই-খুদা হলের সামনে ৪০০ কেভির সরবরাহ লাইনে জীবন্ত দুটি গাছকে ব্যবহার করা হচ্ছে খুঁটি হিসেবে । এতে ঝুঁকির মুখে আছেন হলের প্রায় ৪০০ শিক্ষার্থীসহ সংশ্লিষ্ট-জনেরা ।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ড. কুদরত-ই-খুদা হলের একজন কর্মচারী জানান,বিভিন্ন সময়ে হলের পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমের সময় ইলেকট্রিক শক করার মত ঘটনা ঘটেছে। দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে বড় ধরণের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে ।
এই ব্যাপারে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকৌশল দপ্তরের সহকারী প্রকৌশলী মোঃ মকবুল হোসাইন চুয়েটনিউজ২৪ কে বলেন ,সরবরাহ লাইনের বিষয়টি নিয়ে পল্লী বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষের সাথে আমাদের কথা হয়েছে । নতুনভাবে লাইনটি আমরা মসজিদের পাশ দিয়ে মূল সড়ক বরাবর নিয়ে যাব।
তবে কবে নাগাদ এই কাজ শুরু হবে ,জানতে চাইলে নির্দিষ্ট করে কিছু বলতে পারেননি তিনি। জানান ,পল্লী বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ কাজটির জন্য কিছু অর্থ দাবি করছে । চুয়েট কর্তৃপক্ষ এই অর্থ পরিশোধ করলে সরবরাহ লাইনের নির্মাণ কাজ শুরু হবে।
আর ড. কুদরত-ই-খুদা হলের সামনে জীবন্ত গাছকে বৈদ্যুতিক খুঁটি হিসেবে ব্যবহার করা প্রসঙ্গে বলেন ,বিদ্যুৎ সরবরাহ চালু রাখার জন্য সাময়িকভাবে এটি করা হয়েছিল । নতুন দুটি খুঁটির জন্য অর্থ চেয়ে ইতিমধ্যে কর্তৃপক্ষ বরাবর চিঠি দেওয়া হয়েছে ,অর্থপ্রাপ্তির এক সপ্তাহের মধ্যে খুঁটি স্থাপনের কাজ সম্পন্ন করা হবে ।