ব্রেকিং নিউজ

চুয়েটের মূলফটকের সামনের মহাসড়কে নেই স্পীডব্রেকারঃ বড় দূর্ঘটনার আশঙ্কা

মনির হোসাইনঃ

চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট)-এর মূলফটক সংলগ্ন কাপ্তাই-চট্টগ্রাম মহাসড়কে নেই কোনোরকম স্পীডব্রেকার। স্পীডব্রেকার না থাকায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীরা সড়কটি ঝুঁকি নিয়ে পারাপার হচ্ছে । এই অবস্থায় যেকোনো বড় ধরণের দূর্ঘটনার আশঙ্কা করছে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীবৃন্দ।

প্রসঙ্গত, চট্টগ্রাম শহর হতে ২৫কিমি দূরে অবস্থিত চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট)-এ প্রতিবছর হাজারো শিক্ষার্থী পড়াশুনা করতে আসে।বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশুনা করতে আসা বেশিরভাগ শিক্ষার্থীদের চুয়েটের মূলফটক সংলগ্ন কাপ্তাই-চট্টগ্রাম মহাসড়কটি প্রতিদিন নানা কাজে পারাপার হতে হয়। কিন্তু স্পীডব্রেকার না থাকায় উক্ত সড়কটি পারাপারের সময় বড় ধরণের দূর্ঘটনার আশঙ্কা করা হচ্ছে।
উক্ত কাপ্তাই-চট্টগ্রাম মহাসড়কটি একটি ব্যস্ততম মহাসড়ক। ছোটো মাঝারি থেকে ভারীসহ সব ধরণের যান চলাচলে ব্যস্ত থাকে সড়কটি। তাছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের মূলফটক সংলগ্ন কাপ্তাই-চট্টগ্রাম মহাসড়কে বাস-ট্রাকের গতির কাঁটার উর্ধ্বগতি লক্ষণীয়, যা সাধারণ শিক্ষার্থীদের জন্য বিপজ্জনক।

বিশ্ববিদ্যালয়ের মূলফটকের সামনে বাস স্টপেজ থাকলেও সেখানে শিক্ষার্থীদের বাসে উঠতে হয় একরকম লড়াই করে। বাসে উঠার আগেই বাসের চাকা চলতে শুরু করে তার গন্তব্যের উদ্দেশ্যে, যার পরিণতি হতে পারে কারো গন্তব্যের শেষ।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের পুরকৌশল বিভাগের ৩য় বর্ষের শিক্ষার্থী আতাউর রহমান বলেন, দৈনন্দিন কাজে বিশ্ববিদ্যালয়ের মূলফটক পার হতে হয়। সড়কে স্পীডব্রেকার না থাকায় ভয় পাই সড়কটি পারাপারে, প্রশাসনের নিকট দাবি দ্রুতই স্পীডব্রেকার স্থাপন করা হোক।

এ বিষয়ে ছাত্রকল্যাণ পরিচালক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মশিউল হক চুয়েটনিউজ২৪কে জানান, এই বিষয়টি নিয়ে আমরা যথাযথ কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলেছি। তারা দ্রুত চুয়েটের মূলফটকের দুইপাশে দুইটি স্পীডব্রেকার নির্মাণ করে দিবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন।

তারিখঃ ১০/১১/২০১৮ ইং।